Sandeshkhali: ‘কেন সাংবাদিকদের মারবে? পুলিশকে শাঁখা-চুড়ি পরাব আজ’, ফুঁসছে সন্দেশখালি – Bengali News | Why attack on journalists, Sandeshkhali’s agitated women Fuming in front of police station
তুমুল বিক্ষোভ সন্দেশখালিতে Image Credit source: TV-9 Bangla
কলকাতা: অশান্তি যেন থামছে না সন্দেশখালিতে (Sandeshkhali)। কার্যত আগুনের স্তূপের উপর বসে গোটা এলাকা। স্থানীয় শাসক নেতাদের বিরুদ্ধে দফায় দফায় আছড়ে পড়ছে জনরোষ। শাহজাহান ঘনিষ্ঠ শিবু হাজরার একের পর এক পোল্ট্রি ফার্মে আগুন ধরানোর পাশাপাশি তাঁর বাগানবাড়িতেও আগুন ধরিয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা। বেশ কয়েকজনকে আটকও করে পুলিশ। যদিও পুলিশের দাবি, তাঁরা সকলেই দুষ্কৃতী। আটকের ঘটনার পরই যেন আগুন ঘি পড়ে। বিকালেই ফের উত্তেজনা ছড়ায় সন্দেশখালি থানার সামনে। সেখানে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার মহিলারা। লাঠি-বাঁশ নিয়ে ঘেরা করা হয় সন্দেশখালি থানা। একটাই দাবি, যাঁদের আটক করা হয়েছে তাঁদের ছাড়তে হবে। মোতায়েন বিশাল পুলিশ বাহিনী।
যদিও পুলিশ বলছে, দুষ্কৃতীরা একটা পোল্ট্রি হাউস, একটা বাড়িতে ভাঙচুর করেছে, আগুন লাগিয়েছে। যারা এরকম করছে, যারা উস্কানি দিচ্ছে তাদের ছাড়া হবে না। কড়া পদক্ষেপ করা হচ্ছে। কারও কোনও অভিযোগ থাকলে আমাদের জানান। কিন্তু, কেউ আইন হাতে তুলে নিলে ছেড়ে দেওয়া হবে না। এখনও পর্যন্ত ৮ জনকে আটক করা হয়েছে।
যদিও গ্রামবাসীদের দাবি, নিরাপরাধ ছেলেদের ধরা হয়েছে। কিন্তু, যারা আসলে দুষ্কৃতী, দিনের পর দিন এলাকায় নির্যাতন করে আসছে তাদের ধরছে না। পুলিশের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে এক মহিলা বললেন, “যে সব ছেলেরা মা বোনের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের আগে তুলেছে। আর যারা ১২ বছর ধরে নির্যাতন করে গেল, তাদের গায়ে হাত দিল না পুলিশ। কিন্তু, নিরাপরাধ ছেলেদের তুলে নিয়ে গিয়েছে। এটাই কী প্রশাসনের নিয়ম? সাংবাদিকদের গায়ে হাত দেওয়া হয়েছে। কেন দেবে? পুলিশ তো কিছুই করছে না। ওদের আজকে শাঁখা-চুড়ি পরিয়ে ছেড়ে দেব।”
এই খবরটিও পড়ুন
প্রসঙ্গত, এদিন পাল্টা জেলিয়াখালির দখল নিতে ঝাঁপায় শিবু হাজরার দলবল। সেই লাইভ ছবি দেখাতে গিয়ে আক্রান্ত হয়েছে টিভি-৯ বাংলা। বাইক বাহিনী এসে পথ আটকায় টিভি-৯ এর টিমের। ভেঙে জলে ফেলে দেওয়া হয় ক্যামেরা। নেতৃত্ব দিতে দেখা যায় শিবু ঘনিষ্ঠ সামাদ মোল্লা, নিশিকান্ত বরদের।