Bengali style fish curry: শুক্রবারের শুরুতে ভাতের সঙ্গে একটা স্পেশ্যাল রেসিপি হলে মন্দ হয় না, গতি আসবে কাজেও
শুক্রবার আসলেই মন যেন আনন্দে খানিক নেচে ওঠে। উইকএন্ডের শুরু বলে কথা। নাকে-মুখে গুঁজে কোনও রকমে বকেয়া কাজ শেষ করতে পারলেই দু দিনের শান্তি। শীতের সকালের আমেজ নাও, দেরিতে ঘুম থেকে ওঠা…কত কিছুই না একসঙ্গে চলতে থাকে
শীতের দিনে এই উইকএন্ডের অন্যয়রকম মজা থাকে। এই সময় বাইরে ঘুরতে যেতে, খেতে খুবই ভাল লাগে। আর শীতের দিনে বাজারে যেমন হরেক সবজি আসে তেমনই অনেক রকম রান্নাও করা যায়। আর তাই এই স্পেশ্যাল দিনের শুরু হোক এমনই একটি স্পেশ্যাল রেসিপিতে
পিঠে পুলি বানানোর জন্য বাড়িতে এখন নারকেল থাকেই। সেই নারকেল দিয়ে বানিয়ে ফেলুন স্পেশ্যাল রুইমাছ। রুই মাছের ঝোল ভাত বাঙালির খুবই প্রিয়। সঙ্গে আছে রুই পোস্ত, রুই কালিয়া। এবার নারকেল দিয়েই বানিয়ে নিন রুইমাছ। গরম ভাতে
রুই মাছের গাদার পিস নিতে হবে। আগে থেকে নুন হলুদ মাখিয়ে রেখে মাছ ভেজে নিতে হবে। খুব কড়া লাল করে ভাজবেন না। কড়াইতে তেল গরম করে গোটা গরম মশলা, তেজপাতা দিতে হবে। গন্ধ ছাড়লে একবাটি নারকেলের দুধ দিতে হবে
এর মধ্যে খুব সামান্য হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো, সামান্য নুন দিয়ে নাড়তে থাকুন। তিনটে কাঁচালঙ্কা থেঁতো করে দিন। দুধ ফুটে উঠলে ওর মধ্যে মাছগুলো দিয়ে আঁচ একদম কমিয়ে দিতে হবে। এক চামচ চিনি ছড়িয়ে দিন
ঢাকা দিয়ে রান্না করতে হবে। তিন মিনিট ঢাকা দিয়ে একবার তুলে দেখুন। এতে মাছও সেদ্ধ হয়ে আসবে। এই রান্নাতে বিশেষ কোনও মশলা লাগে না। খুব সামান্য উপকরণে সহজেই রান্না হয়ে যায়। খেতেও বেশ মিষ্টি হয়
তেল না ছাড়া পর্যন্ত নাড়াচাড়া করতে হবে। গ্রেভি থেকে তেল ছাড়লে একমুঠো কিশমিশ ছড়িয়ে এক থেকে দেড় মিনিট ঢাকা দিয়ে রাখুন। এবার এক চামচ গাওয়া ঘি ছড়িয়ে দিন। এতে সুন্দর একটা গন্ধ উঠবে
এবার গরম ভাতের সঙ্গে পরিবেশন করুন এই মাছের মাখা মাখা তরকারি। খেতে লাগে খুবই ভাল। নারকেল দিয়ে রুই মাছের অন্য রকম একচা স্বাদও আসে







