ছোট হোক বা বড়, সোজা কিংবা কোঁকড়ানো, এই ৮ ধাপ মানলেই চুল থাকবে ঝলমলে – Bengali News | How To Protect Natural Hair In Winter Season
শীতের সবচেয়ে বড় সমস্যা খুশকি আর শুষ্ক চুল। শুষ্ক চুলের সমস্যা সময়ের সঙ্গে ঠিক হয়ে যায়। কিন্তু একবার খুশকির সমস্যা ধরলে আর পিছু ছাড়ে না। তাই প্রথম থেকে চুলের দেখভাল করা জরুরি। আপনার চুল স্মুদিং করানো হোক বা কুঁচকানো, শীতে চুলের দেখভালে বিশেষ কয়েকটি বিষয় আপনাকে মানতেই হবে। ঠান্ডা আবহাওয়ায় ময়েশ্চার কমে যায় এবং চুল শুষ্ক হয়ে ওঠে। শুষ্ক স্ক্যাল্পে ফাঙ্গাল ইনফেকশন দেখা যায়। যার ফল হল খুশকি। খুশকি থেকে চুল পড়া ও স্ক্যাল্পে চুলকানির সমস্যা বাড়ে। অনেকের ক্ষেত্রে খুশকির কারণে কপালে ব্রণও হয়। তাই এই আবহাওয়ায় কীভাবে চুলের দেখভাল করবেন, রইল টিপস।
১) ঘন ঘন শ্যাম্পু করা এড়িয়ে চলুন। রোজ বাইরে বেরোতে হবে এক-দু’দিন অন্তর শ্যাম্পু করতেই হয়। ঘন ঘন শ্যাম্পু করলে স্ক্যাল্পের প্রাকৃতিক তেল নষ্ট হয়ে যায়। এতে খুশকির সমস্যা বাড়ে।
২) শীতকালে গরম জল ছাড়া স্নান করা যায় না। কিন্তু স্ক্যাল্প ও চুলে গরম জল ঢাললে আপনারই ক্ষতি। তার চেয়ে ঈষদুষ্ণ জল ব্যবহার করে স্নান করুন।
এই খবরটিও পড়ুন
৩) চুলের অতিরিক্ত আর্দ্রতা জরুরি। গ্লিসারিন, অ্যালোভেরা, শিয়া বাটার, জোজোবা অয়েল, অ্যাভোকাডো অয়েলের মতো উপাদান স্ক্যাল্পের আর্দ্রতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এছাড়া আপনি হাইড্রেটিং সিরাম ব্যবহার করতে পারেন।
৪) ডিপ কন্ডিশনিং করুন। নিয়মিত না হলেও মাঝেমধ্যে চুলে ডিপ কন্ডিশনিং করা জরুরি। এর জন্য বিশেষ কোনও তেল কেনার প্রয়োজন নেই। নারকেল তেল, অলিভ অয়েল, আমন্ড অয়েল বা অর্গান অয়েল দিয়ে স্ক্যাল্পে মালিশ করতে পারেন। তবে, স্ক্যাল্পে খুশকি থাকলে তেল এড়িয়ে চলুন।
৫) শীতকালে চুল তাড়াতাড়ি শুকনো করতে অনেকেই ড্রায়ার ব্যবহার করেন। ব্লো ড্রাই করলে চুল দেখতেও ভাল লাগে। কিন্তু ঘন ঘন ড্রায়ার ব্যবহার করলে আপনার চুল নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
৬) সঠিক উপায়ে চুল আঁচড়ান। প্রথমত, নিয়মিত চুল আঁচড়ানোর অভ্যাস করুন। চুলে জট পড়লে তা ছাড়িয়ে নিন। মাথার উপর থেকে নিচের দিকে চিরুনি চালান। এতে স্ক্যাল্পে রক্ত সঞ্চালন বাড়বে এবং চুল পড়ার সমস্যা কমবে।
৭) আপনি যদি দু’মুখো চুলের সমস্যায় ভোগেন, তাহলে ৩-৪ মাস অন্তর অন্তর চুল কাটতে থাকুন। স্প্লিট এন্ডের সমস্যা না থাকলেও নিয়মিত চুল কাটা জরুরি।
৮) সঠিক শ্যাম্পু, কন্ডিশনার ব্যবহারের পরও যদি চুলের হাল না ফেরে, তাহলে ডায়েটের দিকে নজর দিন। ব্যালেন্স ডায়েট মেনে চললে একাধিক রোগের ঝুঁকি এড়াতে পারবেন এবং চুলকে ভাল রাখতে পারে। তাজা সবজি, ফল, দানাশস্য, সামুদ্রিক মাছ, ডিম, চিকেন, বাদাম, বীজ ইত্যাদি খান। পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন।