মূক ও বধির হওয়াটাই কি আমার অপরাধ? খেলরত্ন না পেয়ে বিস্ফোরক কুস্তিগির বীরেন্দ্র – Bengali News | Indian Wrestler Virender Singh laments not winning Khel Ratna, says My crime is being a deaf athlete
মূক ও বধির হওয়াটাই কি আমার অপরাধ? খেলরত্ন না পেয়ে বিস্ফোরক কুস্তিগির বীরেন্দ্র
কলকাতা: প্রতিবন্ধী হওয়াটা কি অপরাধ? বিতর্কিত প্রশ্ন তুলে দিলেন কুস্তিগির বীরেন্দ্র সিং (Virender Singh)। মঙ্গলবার জাতীয় ক্রীড়া পুরস্কার পেয়েছেন মহম্মদ সামি থেকে শুরু করে ঐহিকা মুখোপাধ্যায় সহ অনেক তারকা। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে তালিকা থেকে বাদ পড়েছেন অনেকে। প্রতিবারই এমন হয়। পুরস্কার না পেয়ে অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করেন। কিন্তু এমন ছবি বোধহয় এর আগে দেখা যায়নি। মূক ও বধির হওয়াটা অপরাধ কিনা, সেই প্রশ্ন করে বসেছেন নামী প্রতিবন্ধী রেসলার বীরেন্দ্র। নিজের রাজ্য হরিয়ানা থেকেও বঞ্চিত। সেই আক্ষেপ বাড়িয়ে দিয়েছে খেলরত্ন না পাওয়ায়। হতাশা চেপে রাখতে পারেননি বীরেন্দ্র।
ডেফ অলিম্পিকে তিনটে সোনা জিতেছেন। এতেই শেষ নয়, ৩৭ বছরের রেসলারের সাফল্য রয়েছে সর্বত্র। বিশ্ব মিটেও তিনি গর্বিত করেছেন দেশকে। ২০২১ সালে যে কারণে তাঁকে অর্জুন পুরস্কারে সম্মানিত করা হয়েছিল। সেই তিনি খেলরত্ন পাননি। অভিযোগ এতেই শেষ নয়, সব রাজ্যেরই সর্বোচ্চ ক্রীড়া পর্যায়ে সাফল্য পাওয়া অ্যাথলিটকে আর্থিক ও অন্যান্য পুরস্কারে পুরস্কৃত করার পলিসি রয়েছে। সেই মতো হরিয়ানা সরকারের ৮ কোটি টাকা দেওয়ার কথা তাঁকে। যা আজও পাননি। বারবার দরবার করা সত্ত্বেও কোনও কাজ হয়নি। তাতেই আরও চটেছেন প্রতিবন্ধী কুস্তিগির।
माननीय प्रधानमंत्री श्री @narendramodi जी, व माननीय खेलमंत्री श्री @ianuragthakur जी, मुझे पांच डेफ ओलंपिक मेडल जीतने के बाद भी खेल रत्न नही मिला, और न ही हरियाणा सरकार ने पॉलिसी के तहत आठ करोड़ रुपये दिए, मेरा गुनाह इतना है मैं मूक-बधिर दिव्यांग खिलाडी हूँ..! #जयहिंद🇮🇳 pic.twitter.com/n9KJGQGJUY
— Virender Singh (@GoongaPahalwan) January 9, 2024
বীরেন্দ্র কোনও রাখঢাক না করেই সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ক্রীড়ামন্ত্রী অনুরাগ ঠাকুর, ডেফ অলিম্পিক থেকে পাঁচটা পদক পাওয়ার পরও আমি খেলরত্ন পেলাম না। শুধু তাই নয়, হরিয়ানা সরকারের স্পোর্টস পলিসি অনুযায়ী ৮ কোটি টাকাও পাইনি। আমার অপরাধ শুধু এইটুকুই যে, আমি মূক-বধির খেলোয়াড়।’ বীরেন্দ্রর এই বার্তা যে অস্বস্তিতে ফেলে দিয়েছে, তা নিয়ে সন্দেহ নেই। বিশেষ করে হরিয়ানা সরকার যে এতদিন তাঁকে ৮ কোটি টাকা দেয়নি, তাও জানা ছিল না অনেকেরই। তাও প্রকাশ্যে চলে এসেছে।