একদিকে ফিরছেন সুনীতা, অন্যদিকে নাসা ছেড়ে চলে যাচ্ছেন একের পর এক বিজ্ঞানী! কেন? – Bengali News | Big layoffs in NASA, chief scientist terminated, many departments shut down
কথায় বলে না কারও পৌষ মাস তো কারও সর্বনাশ। নাসাতেও এখন সেই দশা। বিশ্বের বৃহত্তম মহাকাশ গবেষণা সংস্থ আমেরিকার নাসা। ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসও সেই সংস্থার কর্মী। তিনি আর কয়েক ঘন্টা পরেই ফিরছেন পৃথিবীতে। তাই নাসাতে খুশির মরসুম। তারই মধ্যে রয়েছে বিষাদের সুরও। কারণ কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে নাসা।
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং এলন মাস্কের ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি (DOGE) এর নির্দেশে এই ছাঁটাই করা হচ্ছে বলে খবর। এই সিদ্ধান্তের কারণে, নাসাকে প্রধান বিজ্ঞানীর অফিস এবং প্রযুক্তি, নীতি ও কৌশল অফিস সহ বেশ কয়েকটি বিভাগ বন্ধ করতে হয়েছে।
জানা গিয়েছে সোমবার নাসার ভারপ্রাপ্ত প্রশাসক জ্যানেট পেট্রো ইমেলের মাধ্যমে কর্মীদের এই বিষয়ে অবহিত করেছেন। ছাঁটাইয়ের ফলে মোট ২৩ জন কর্মচারীর চাকরি যাবে। এমনকি চাকরি হারিয়েছেন চিফ সাইন্টিস্ট ডঃ কেট ক্যালভিনও। মহাকাশ নীতি ও কৌশল বিভাগ এবং বৈচিত্র্য, সমতা ও অন্তর্ভুক্তি (DEI) বিভাগগুলিও তুলে দেওয়া হতে পারে বলে খবর।
কেন ছাঁটাই? এএনআই-এর প্রতিবেদন অনুসারে, নাসায় এই ছাঁটাই প্রেসিডেন্টর বিশেষ নির্দেশের অংশ। যার লক্ষ্য ফেডারেল সংস্থাগুলিকে আরও দক্ষ করে তোলা। এই পুনর্গঠন প্রক্রিয়াটি মার্কিন অফিস অফ পার্সোনেল ম্যানেজমেন্ট (OPM) এবং অফিস অফ ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেট (OMB) এর সহযোগিতায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, এই বদলের সিদ্ধান্ত এমন এক সময়ে নেওয়া হয়েছে যখন নাসা গুরুত্বপূর্ণ মহাকাশ পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্টেমিস মিশন, যা মানুষকে চাঁদে পাঠানোর অংশ। দু’জন বিজ্ঞানিকে এই মিশনের অংশ হিসাবে চাঁদে পাঠানো হতে পারে।
সরকারি পুনর্গঠন প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে নাসা কর্মী এবং সম্পদ সীমিত করছে। গত মাসে হোয়াইট হাউস নাসায় বড় আকারে কর্মী ছাঁটাই রোধ করার সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরেই এই ছাঁটাই সামনে আসতেই অবাক সকলে। প্রসঙ্গত, এর আগে নাসা ১০ শতাংশ কর্মী ছাঁটাইয়ের পরিকল্পনা করেছিল। যা ১৯৬১ সালের পর নাসার কর্মী সংখ্যাকে সর্বনিম্ন স্তরে নামিয়ে আনত।