Bratya Basu: কলেজে পড়তে অনাগ্রহ পড়ুয়াদের, কেন? খোলাখুলি সে কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী - Bengali News | Bratya basu Why are students reluctant to study in college? The Education Minister openly spoke about it - 24 Ghanta Bangla News
Home

Bratya Basu: কলেজে পড়তে অনাগ্রহ পড়ুয়াদের, কেন? খোলাখুলি সে কথা বললেন শিক্ষামন্ত্রী – Bengali News | Bratya basu Why are students reluctant to study in college? The Education Minister openly spoke about it

Spread the love

বিধানসভায় নিজের ঘরে শিক্ষামন্ত্রী Image Credit source: TV9 Bangla

কলকাতা:  স্নাতক স্তরে রাজ্যে এই মুহূর্তে প্রচুর আসন খালি পড়ে রয়েছে। জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু। মঙ্গলবার বিধানসভা অধিবেশনের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ব্রাত্য বলেন, “৭ লক্ষ ভর্তি হয়েছে। বেশ কিছুটা ফাঁকা রয়েছে। অন্যান্য স্টিমে যাচ্ছে। অনলাইন হওয়ার পর ভর্তি প্রক্রিয়ার পরিসংখ্যান হাতে পেয়ে যাচ্ছি।”

কিন্তু কেন?

গত কয়েক বছরে অনলাইনে ভর্তির পরিসংখ্যান দেখে বোঝা যাচ্ছে,  কলেজে প্রথাগত শিক্ষায় আগ্রহ দেখাচ্ছে না নতুন প্রজন্মের একটা বড় অংশ। বরং তারা অনেক বেশি আগ্রহী বৃত্তিমূলক বা কারিগরী শিক্ষায়। চাকরিমুখি উচ্চশিক্ষায় উৎসাহী পড়ুয়াদের ঢলের পাশাপাশি হু হু করে কমছে কলেজে সাধারণ বিষয়ে স্নাতক পড়ার জন্য ছাত্রছাত্রীদের ভিড়।

শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য,  ছাত্র-ছাত্রীরা বিভিন্ন প্রফেশনাল কোর্স, ইঞ্জিনিয়ারিং-সহ একাধিক কোর্সের বেশি ঝুঁকছেন ছাত্রছাত্রীরা।  মঙ্গলবার বিধানসভায় প্রশ্নোত্তর পর্বেও বিষয়টির উল্লেখ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

শিক্ষামন্ত্রীর দেওয়ার হিসেব অনুসারে, প্রায় সাড়ে চার লক্ষ সিট স্নাতক স্তরে এই মুহূর্তে খালি পড়ে রয়েছে। রাজ্যে এই মুহূর্তে স্নাতক স্তরে মোট আসন সংখ্যা রয়েছে ৯ লক্ষ ৪৮ হাজার ৭৮৭।

কেন্দ্রীয়ভাবে যে ভর্তি প্রক্রিয়া নেওয়া হয়েছিল, তাতে দেখা যাচ্ছে যে ৪ লক্ষ ৫৩ হাজার ৬৪ টি আসনে ছাত্রছাত্রীরা ভর্তি হয়েছে। পরবর্তীকালে বিকেন্দ্রীকরণের মাধ্যমে আরও বেশ কিছু ভর্তি হলেও রাজ্যে এই মুহূর্তেই স্নাতক স্তরের খালি সিটের সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার লক্ষ।

উল্লেখ্য,  বেসরকারি স্কুলে ফি বৃদ্ধি রুখতে বিল আনছে রাজ্য সরকার। বেসরকারি স্কুলের ব্যয়বৃদ্ধি ইস্যুতে গঠন করা হবে নতুন কমিশনও। বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কের প্রশ্নের উত্তরে সেকথাও জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।

উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় অনলাইন পোর্টালে ভর্তির জন্য কারা আবেদন করেননি এবং কেন করেননি, সে সম্পর্কে সমস্ত স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের কাছ থেকে রিপোর্ট চেয়ে পাঠিয়েছিল শিক্ষা দফতর। সেখানেই উঠে আসে এই তথ্য।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *