'পুলিশের কিছু করার নেই!' বেলঘরিয়ার গুলিকাণ্ডে মুখ খুললেন অর্জুন সিং, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘পুলিশের কিছু করার নেই!’ বেলঘরিয়ার গুলিকাণ্ডে মুখ খুললেন অর্জুন সিং, বাংলার মুখ

Spread the love

বেলঘরিয়ায় বাইকে চেপে এসে একের পর এক গুলি। এক তৃণমূল কর্মী সহ দুজন আহত বেলঘরিয়ায়। গোটা ঘটনাকে ঘিরে ফের নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।  এরপর এনিয়ে মুখ খুললেন অর্জুন সিং। 

সংবাদমাধ্যমে বিজেপি নেতা অর্জুন সিং জানিয়েছেন, ‘যে বীজটা পুঁতেছেন সেটাই তো উঠবে। ক্রিমিনালদেরকে, তোলাবাজদের পুলিশ প্রটেকশন দিয়ে রেখে দিয়েছে। এখানে ৪০০ ক্রিমিনালকে সিকিউরিটি দিয়ে রেখে দিয়েছে। যে ক্রিমিনাল পুলিশের ভয়ে পালিয়ে বেড়াত তাদের সিকিউরিটি দিয়ে রেখেছে পুলিশ। পুলিশও দিশেহারা। পুলিশের কিছু করার নেই। আমি হয়তো  রাজনৈতিক দলে আছি, পুলিশকে দোষ দিতেই পারি। কিন্তু পুলিশের কিছু করার নেই। পুলিশে নতুন করে নিয়োগ হচ্ছে না। সিভিক ভলান্টিয়ার থানা কন্ট্রোল করছে। সিভিক ভলান্টিয়ার তোলাবাজি করছে। দুর্ভাগ্যের ব্যাপার তৃণমূলের নেতারা পুলিশকে ভাগ পাঠাচ্ছে। কাউন্সিলর ভয়ে মুখ খুলতে পারছে না। কামারহাটিতে ক্রিমিনালের ফ্য়াক্টরি আছে। আমি ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল থেকে তাড়াতাম ওরা গিয়ে কামারহাটিতে বসবাস করত। কামারহাটি একটি মরুদ্যান ছিল। যে হিন্দু এখনও তৃণমূল করছে তারাও স্বার্থেই করছে। মদন মিত্রের ডান দিকে বাঁ দিকে ক্রিমিনালরা থাকে। পশ্চিমবঙ্গ ক্রিমিনালের মরুদ্যান হয়ে গিয়েছে।’ 

অর্জুন বলেন, ‘পানিহাটি-কামারহাটি কাছাকাছি। এখানকার ক্রিমিনাল ওখানে সেল্টার নেয়, ওখানকার ক্রিমিনাল এখানে সেল্টার নেয়। এখন পুলিশ হয়ে গিয়েছেন তৃণমূলের নেতা। অজয় ঠাকুর বা স্কটল্যান্ড ইয়ার্ড যেখান থেকেই নিয়ে আসুন, বাংলা আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কন্ট্রোল করতে পারবেন না। এরাই বুথ দখল করে। আজ ভূত খুঁজে বেড়াচ্ছে। এআরওরা চুক্তিভিত্তিক পদে রয়েছে। যারা বাংলাদেশে থাকে তাদের নাম ভোটার লিস্টে। পুরো জেহাদিরা জনবিন্যাসকে বদলে দিচ্ছে। …মেটিয়াবুরুজে তো পুরো বাংলাদেশ এসে বসে গিয়েছে,’ দাবি অর্জুন সিংয়ের। 

এদিকে বেলঘরিয়ায় গুলিচালনাকে ঘিরে ইতিমধ্য়েই নানা প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কে বা কারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত তা দেখা হচ্ছে। পুলিশ ইতিমধ্য়েই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখা হচ্ছে। তবে ঘটনার পেছনে ঠিক কী কারণ রয়েছে সেটা দেখা হচ্ছে। এর পেছনে রাজনৈতিক জমি দখলের লড়াই নাকি এর পেছনে পুরনো কোনও শত্রুতা রয়েছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 

তবে স্থানীয় সূত্রে খবর, বাইকে চেপে এসেছিল দুষ্কৃতীরা। এরপর তারা গুলি চালাতে শুরু করে। এমনকী পরে বাইকে ফেলে রেখে তারা চারচাকা গাড়ি চেপে চম্পট দেয়। 

 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *