Potato Farming: বৃষ্টিতে আলুর সর্বনাশ! বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করছেন কৃষকরা – Bengali News | Farmers trying to drain out water from potato farming fields
আরামবাগ: অসময়ের বৃষ্টিতে আলুর জমিতে জমেছে জল। জল বের করে ফসল বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছেন কৃষকরা। এমনই ছবি দেখা গেল জেলায় জেলায়। নিম্নচাপের জেরে বুধবার ও বৃহস্পতিবার রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি হয়েছে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টিও হয়েছে। ফলে, জমির পর জমিতে জমেছে জল। এভাবে জল জমলে আলু বাঁচানো মুস্কিল হবে। স্বাভাবিকভাবেই প্রভাব পড়বে বাজারে আলুর দামেও। তাই শেষ চেষ্টা করছেন কৃষকরা।
বাঁকুড়া জেলার আলুর বহু জমিতে জল জমে গিয়েছে। আলু চাষে ব্যাপক ক্ষতির আশঙ্কায় আপাতত ঘুম ছুটেছে চাষিদের। কৃষি দফতরের দাবি ক্ষয়ক্ষতি হলে ফসল বিমা থাকায় প্রত্যেকেই ক্ষতিপূরণ পাবে।
অসময়ে মুষলধারে বৃষ্টি হয়েছে বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুর, জয়পুর, কোতুলপুর, ইন্দাস, পাত্রসায়র, সোনামুখী ও তালডাংরা এলাকায়। অসময়ের এই বৃষ্টিতে আলু তোলার ঠিক আগে বেশিরভাগ জমিতেই জল জমে গিয়েছে। জমিতে জল জমে থাকলে অধিকাংশ আলু পচে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই দ্রুত জমি থেকে সেচ করে বের করে দেওয়ার চেষ্টা চালাচ্ছেন চাষিরা। বহু জমিতে পাম্প লাগিয়ে জমা জল বের করে ফসল বাঁচানোর শেষ চেষ্টা চালাচ্ছেন চাষিরা।
কৃষকদের দাবি, বাজারে আলুর দাম একেবারে তলানিতে। ফলে ফসল তুলে তা বাজারে বিক্রি করেও লোকসান সামাল দেওয়া কঠিন। তার উপর এভাবে জমিতে জল জমে থাকলে সব হারাতে হবে। এক বিঘা জমির আলু চাষ করতে খরচ হয় কম-বেশি ৪০ হাজার টাকা। অধিকাংশ চাষি সমবায় অথবা মহাজনের কাছে ঋণ নিয়ে এই আলু চাষ করেছেন। এখন একদিকে আলুর জলের দর অন্যদিকে অসময়ের বৃষ্টিতে ক্ষতির আশঙ্কা এই জোড়া ফলায় ঘুম ছুটেছে চাষিদের। কৃষি দফতর অসময়ের এই বৃষ্টিতে মোট ক্ষয়ক্ষতির হিসাব এখনো জানাতে পারেনি।