'মেয়েটা ফুলগাছ ভালোবাসত,' আরজি করের নির্যাতিতার জন্মদিন সামনেই, বড় আবেদন মায়ের, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘মেয়েটা ফুলগাছ ভালোবাসত,’ আরজি করের নির্যাতিতার জন্মদিন সামনেই, বড় আবেদন মায়ের, বাংলার মুখ

গত ৯ অগস্ট আরজিকরে তরুণী চিকিৎসকে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছিল। সেই ঘটনার পরে অনেকগুলো মাস কেটে গিয়েছে। আন্দোলন অনেকটাই স্তিমিত। তবে এবার সোশ্য়াল মিডিয়ায় বড় বার্তা দিলেন নির্যাতিতা তরুণী চিকিৎসকের বাবা মা। 

নির্যাতিতার মা সোশ্যাল মিডিয়ায় বিশেষ বার্তায় জানিয়েছেন, ‘৯ ফেব্রুয়ারি আমাদের মেয়ের জন্মদিন। বিচার না পাওয়ার ৬ মাস। আমরা প্রতিবাদের রাস্তায় থাকব। গত ৯ অগস্ট গোটা দেশ তথা গোটা বিশ্ব জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই আমাদের মেয়ে বলে মনে করেছিলেন। তাঁরা ৯ ফেব্রুয়ারি প্রতিবাদের রাস্তায় নামবেন এটা আমাদের তরফ থেকে বিশেষ অনুরোধ। আমাদের বৃহত্তর পরিবারের কাছে এটা আমাদের অনুরোধ। এই বছরই প্রথম জন্মদিনে প্রথম ও আমাদের মধ্যে নেই। আমরা চাইব সরকারি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজ, নার্সিংহোম, সমস্ত হেলথ ডিপার্টমেন্ট বিচার না পাওয়ার ৬মাসের প্রতিবাদে আলো জ্বালান। আমাদের মেয়ে ফুলগাছ খুব ভালোবাসত। ৯ ফেব্রুয়ারি সবাই একটা করে ফুলগাছ লাগাবেন। সবাই বাড়িতে বা কর্মস্থলে একটি করে ফুলগাছ লাগাবেন। আমরা ভেঙে পড়ব না। হতাশ হব না। শেষ রক্তবিন্দু দিয়ে লড়াই করব। যতদিন না বিচার পাব ততদিন লড়াই চালিয়ে যাব। আমাদের এখন বেঁচে থাকার একটাই উদ্দেশ্য যাতে আমরা মেয়ের ন্য়ায় বিচার পাই। আমাদের সঙ্গে আমাদের বৃহত্তর পরিবার রয়েছে। সকলেই আন্দোলনে থাকবেন এটা অনুরোধ এই শোকাহত, সর্বহারা বাবা মার।’ 

নির্যাতিতার পরিবারের তরফে এই আবেদন করা হয়েছে। মেধাবী সন্তানকে হারিয়েছেন তাঁরা। হাসপাতালে ডিউটিতে গিয়েছিলেন সেই চিকিৎসক। আর সেখানে ধর্ষণ ও খুন করা হয়েছিল ওই তরুণী চিকিৎসককে। এরপর এতগুলো দিন কেটে গিয়েছে। এই ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছে সঞ্জয় রায়। কলকাতা পুলিশের সিভিক ভলান্টিয়ার ছিল সঞ্জয় রায়। প্রথমে কলকাতা পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছিল। পরে তাকে সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়া হয়।  

এদিকে রাজভবনের তরফ থেকে সম্প্রতি একটি বিবৃতি জারি করে বলা হয়েছিল, ‘৩০ জানুয়ারি আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের নির্যাতিতার মা বাবা রাজভবনে এসে দেখা করেন রাজ্যপালের সঙ্গে। তাঁরা একটি চিঠি জমা দেন রাজ্যপালকে। রাজ্যপালকে তাঁরা তাঁদের দুঃখের কথা বলেন এবং বিচারের দাবি জানান। তাঁরা আবেদন করেন যাতে রাজ্যপাল এই বিষয়টি নিয়ে দেশের রাষ্ট্রপতি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে কথা বলেন। রাজ্যপাল আশ্বাস দিয়েছেন যে এই ক্ষেত্রে যা প্রয়োজন তা তিনি করবেন। নির্যাতিতার মা বাবাকে রাজ্যপাল বলেন, এই দুঃখে তাঁরা একা নন এবং গোটা মানব সভ্যতা তাঁদের পাশে আছে। বিচার মিলবেই।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *