সরস্বতী পুজোর দিন নিয়ে বিভ্রান্তিতে স্কুল, রবিবার নাকি সোমবার?, বাংলার মুখ - 24 Ghanta Bangla News
Home

সরস্বতী পুজোর দিন নিয়ে বিভ্রান্তিতে স্কুল, রবিবার নাকি সোমবার?, বাংলার মুখ

Spread the love

সরস্বতী পুজোটা ঠিক কবে? এনিয়ে ইতিমধ্য়ে জোর চর্চা বাংলা জুড়ে। কেউ বলছেন রবিবার। আবার কারোর মতে সোমবার। ইতিমধ্য়েই জেলাগুলিতে এনিয়ে জোর চর্চা হচ্ছে। অনেকেই ঠিকঠাক বুঝে উঠতে পারছেন না সরস্বতী পুজোটা ঠিক কবে? কবেই বা পুষ্পাঞ্জলি দেওয়া যাবে? 

জেলার একাধিক স্কুলেও এনিয়ে বিভ্রান্ত ছড়িয়েছে। এদিকে স্কুলগুলিতে সরস্বতী পুজোর আয়োজন করা হয়। কিন্তু কবে এই পুজো তা নিয়ে চরম বিভ্রান্তি। স্কুলের শিক্ষকরাও এনিয়ে কার্যত দ্বিধাবিভক্ত। কারণ সরস্বতী পুজো কেবলমাত্র ছুটির দিন নয়। স্কুলগুলিতে রীতিমতো ঠাকুর এনে পুজো করা হয়। বহু ছাত্রছাত্রী পুষ্পাঞ্জলি দেয়। তারাও বুঝতে পারছে না কবে হবে পুজো। আসলে পঞ্চমী তিথিটা ঠিক কবে থেকে কবে পর্যন্ত থাকছে সেটাই জানার চেষ্টা করছেন অনেকে। 

এদিকে শিক্ষক শিক্ষিকাদের একাংশের মতে, রবিবার দিনভরই পঞ্চমী তিথি থাকছে। সোমবার সকালে পঞ্চমী ছেড়ে যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে রবিবার পুজো করলে সুবিধা হবে। আবার এখনও শিক্ষক শিক্ষিকাদের অনেকেই হিসেব মেলাতে পারছেন না। তবে সরকারি ক্যালেন্ডারে কিন্তু রবিবারকেই সরস্বতী পুজো হিসাবে দেখানো হয়েছে। 

এবার পঞ্জিকার দিকে একটু তাকানো যাক। সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে বিশুদ্ধ সিদ্ধান্ত পঞ্জিকা মতে মাঘ মাসের ১৯ তারিখ রবিবার( ২ ফেব্রুয়ারি) পঞ্চমী তিথি শুরু হচ্ছে। সকাল ৯টা ১৬ মিনিটে। ২০শে মাঘ সোমবার অর্থাৎ ৩ ফেব্রুয়ারি সকাল ৬টা বেজে ৫৩ মিনিটে পঞ্চমী তিথি শেষ হয়ে যাচ্ছে। সেকারণে সরস্বতী পুজোর দিন ধরা হয়েছে রবিবারকেই। 

আবার গুপ্ত প্রেস পঞ্জিকা মতে, ১৯ মাঘ রবিবার ২রা ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা ১২ মিনিট ৫৯ সেকেন্ডে পঞ্চমী তিথি শুরু হচ্ছে। পরের দিন ৩ ফেব্রুয়ারি সোমবার সকাল  ৯টা বেজে ৫৭ মিনিট ৩৮ সেকেন্ড পর্যন্ত পঞ্চমী তিথি থাকছে। 

তবে অনেক স্কুলই এখন পুরোহিতদের মুখের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন। এদিকে সোমবার যদি পুজো করতে হয় তবে ভোর-ভোর বসতে হবে। কিন্তু সেটা কি সম্ভব? সেক্ষেত্রে মত বদলে এখন অনেকেই রবিবারের দিকেই ঝুঁকছেন। কারণ রবিবার অনেকটা সময় পাওয়া যাবে। সেক্ষেত্রে পুজো নিয়ে আর কোনও সমস্যা হবে না। তবে অনেকের মতে, সুর্যোদয়ের সময় পঞ্চমী থাকছে সোমবারই। সেকারণে সরস্বতী পুজোকে সোমবার হিসাবে ধরে চলছেন অনেকে। 

এদিকে আগের দিন ঠাকুর আনা হয় স্কুলে। এখন মূল বিভ্রান্তির জায়গা সেই আগের দিনটা রবিবার নাকি সোমবার? 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *