অ্যাংলো ইন্ডিয়ানের সঙ্গে প্রেম পরে বিয়ে, দীপঙ্করের প্রথম স্ত্রীয়ের পরিচয় জানেন? - Bengali News | Do you know Dipankar Dey's first wife - 24 Ghanta Bangla News
Home

অ্যাংলো ইন্ডিয়ানের সঙ্গে প্রেম পরে বিয়ে, দীপঙ্করের প্রথম স্ত্রীয়ের পরিচয় জানেন? – Bengali News | Do you know Dipankar Dey’s first wife

Spread the love

দোলন রায় এবং দীপঙ্কর দে-এর প্রেমের কাহিনি নিয়ে কাটাছেঁড়া হয়েছে বিস্তর। ওয়ার্ল্ড ট্যুর করতে গিয়েই তাঁদের দুজনের প্রেম। তবে সে সময় বিবাহিত ছিলেন দীপঙ্কর । এমনকি দুই সন্তানের বাবাও হয়ে গিয়েছিলেন। ফলে তাঁদের প্রেমেও কম বাধা আসেনি। তাঁদের নিয়ে আলোচনার শেষ ছিল না। অনেক দিন লিভ ইন সম্পর্কে ছিলেন তাঁরা। দীপঙ্কর-দোলনের বয়সের পার্থক্য নাকি প্রায় ১৭ বছরের। বর্তমানে সুখে সংসার করছেন জুটিতে।

তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার শেষ নেই। তাঁদের বিয়ে নিয়ে বিতর্কও কম হয়নি। কথা হচ্ছে দোলন রায় এবং দীপঙ্কর দে-এর । বর্ষীয়ান অভিনেতার প্রেম নিয়ে বিস্তর চর্চা হয়েছে এক সময়। এখনও অনেক সময় উঠে আসে সেই আলোচনাই। দোলন এবং দীপঙ্করের প্রেম শুরু বিদেশে শো করতে গিয়ে। তখন অবশ্য় টলিপাড়ার পোক্ত অভিনেতা দীপঙ্কর। বিবাহিত নায়কের প্রেমে পড়েছিলেন দোলন। জানেন দীপঙ্করের প্রথম স্ত্রী কে?

বর্ষীয়ান অভিনেতার প্রথম স্ত্রী বাঙালি ছিলেন না। জানা যায়, তিনি ছিলেন এক অ্যাংলো ইন্ডিয়ান। বহু বছর প্রেম পর্বের পর তাঁকে বিয়ে করেছিলেন দীপঙ্কর। তাঁদের দুই মেয়ে। ২০২৩ সালে প্রয়াত হন অভিনেতার বড় মেয়ে। দোলন ও দীপঙ্কর দীর্ঘ সময় সহবাস সম্পর্কে ছিলেন। ঘর ভাঙার জন্য বারংবার দায়ী করা হয়েছে দোলনকে। এ প্রসঙ্গে অতীতে টিভিনাইন বাংলাকে দোলন বলেছিলেন, “আমি তাঁদের সংসার ভাঙিনি। দীপঙ্করের সঙ্গে যখন আমার সম্পর্ক হয়, তার আগে থেকেই তাঁদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গিয়েছিল। তাই আমার প্রতিও অভিযোগ ছিল না। আমার স্বামীর প্রথম স্ত্রীকে আমি খুব সম্মান করি।” এও জানিয়েছিলেন প্রথম কন্যা মারা যাওয়ার হাসপাতালে দীপঙ্কর ও তাঁর প্রথম স্ত্রীকে আগলে রেখেছিলেন দোলনই। সব কিছু পালন করেছিলেন নির্দ্বিধায়।

তিনি বলেছিলেন, “দীপঙ্করের বড় মেয়ে টিটির মৃত্যুর পর তাঁর সঙ্গে আমার প্রথম দেখা হাসপাতালে। আমাদের মধ্যে কিন্তু কোনওই তিক্ততা নেই। এর আসল কারণ, আমি তাঁর সংসার ভাঙিনি। দীপঙ্করের সঙ্গে তাঁর ডিভোর্সের পর আমি আসি। ফলে আমাকে নিয়ে কোনওকালেই তাঁর মনে কোনও ক্ষোভ নেই। টিটির মৃত্যুর সময় দুই বয়স্ক বাবা-মাকে (দীপঙ্কর এবং তাঁর প্রথম স্ত্রী) আমিই আগলেছিলাম হাসপাতালে। দু’জনের জন্যেই ওষুধ আনিয়ে রেখেছিলাম, যাতে কন্যা হারানোর শোকে তাঁদের কারওই শারীরিক ক্ষতি না হয়।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *