আইইডি তৈরির ছক! বাংলায় বড় হামলার প্ল্যান করছিল এবিটি?, বাংলার মুখ
সম্প্রতি বাংলা থেকে জঙ্গি সন্দেহে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। আর সেই সন্দেহভাজনদের গ্রেফতারির পরে একটি নাম বার বার আসছে সেটা হল আনসারুল্লাহ বাংলা টিম। সংক্ষেপে এবিটি। এই এবিটি টিমের কাজকর্ম গোয়েন্দাদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এদিকে সূত্রের খবর ও একাধিক মিডিয়ার প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, গোয়েন্দারা খবর পাচ্ছেন এই এবিটি বাংলায় বড়সর হামলার ছক কষেছিল। বাংলায় গ্রেনেড হামলার পরিকল্পনা করেছিল এবিটি। এমনকী দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে নানা অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা নিয়েছিল। সূত্রগুলি এবার মিলিয়ে দেখার চেষ্টা হচ্ছে।
এদিকে ক্যানিং থেকে সম্প্রতি জাভেদ মুন্সি নামে এক ব্যক্তিকে জঙ্গি সন্দেহে পুলিশ গ্রেফতার করেছিল। সে কাশ্মীর থেকে এসে ক্যানিংয়ে আশ্রয় নিয়েছিল বলে খবর। অভিযোগ ওই ব্যক্তি নাকি আইইডি তৈরিতে সিদ্ধহস্ত।
সূত্রের খবর, দেশিয় প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে হামলার উপযোগী বড় অস্ত্র তৈরির চেষ্টা চলছিল। বিভিন্ন ধরনের আইইডি তৈরির পরিকল্পনা চলছিল। এদিকে চিকেনস নেককে অস্থির করে রাখার পরিকল্পনা ছিল তাদের যাতে উত্তরপূর্বের সাত রাজ্যকে অস্থির করে রাখা যায়।
তবে পুলিশের তৎপরতায় বড়সর নাশকতার ছক ভেস্তে দেওয়া গিয়েছে। সেই সঙ্গেই আগামী দিনে যাতে কোনও অশান্তি না হয় সেটাও দেখা হচ্ছে।
সামনেই আসছে নতুন বছরের প্রথম দিন। বিভিন্ন জায়গায় উৎসবের ভিড় হবে। সেকারণে বাড়তি সতর্কতার উপর জোর দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে শুভেন্দু অধিকারী ফের জানিয়েছেন, গোটা বাংলাটা জঙ্গিদের আস্তানা হয়ে গিয়েছে। গোটা বাংলাটাকে রোহিঙ্গাদের হাতে ছেড়ে দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। এই কাজে সহায়তা করছেন আমার আপনার ট্যাক্সের টাকায় বেতন পাওয়া পুলিশ।
এর আগে শুভেন্দু বলেছিলেন, ‘সম্প্রতি বেঙ্গালুরুতে ৮জন জঙ্গি ধরা পড়ে। তাদের সঙ্গেও বাংলার লিঙ্ক রয়েছে। তার কারণ পশ্চিমবঙ্গে বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ে, কামালগাজি মোড় থেকে যে রাস্তা ক্যানিং হয়ে গোসাবার ঘাট পর্যন্ত গিয়েছে এই রাস্তা দুটো জঙ্গিদের হাতে চলে গিয়েছে। পুরো জঙ্গিদের হাতে চলে গিয়েছে। মমতা ব্যানার্জির ভোট ব্যাঙ্কের রাজনীতির কারণে। সবাই গেছে এই দিক দিয়ে।’
তিনি বলেছিলেন, ‘১৩টা দ্বীপ রয়েছে এই গোসাবাতে। একটা দ্বীপে বিএসএফ এর একটা ক্যাম্প রয়েছে। বাকি কোথাও কেউ নেই। ভাষা পোশাক ফিসারমেনদের সঙ্গে মিশে সব রপ্ত করছে ওরা। মৎস্যজীবীদের সঙ্গে মিশে গোসাবার দ্বীপগুলো হয়ে ক্যানিং, বারুইপুর, কামালগাজি হয়ে ভারতে ঢুকে পড়ছে। অথবা বাসন্তী এক্সপ্রেসওয়ে হয়ে সায়েন্স সিটি দিয়ে ভারতে ছড়িয়ে পড়ছে। বাংলা পুরো জঙ্গিদের মুক্তাঞ্চল হয়ে গিয়েছে।’