Bangladesh: ভারত ‘টাইট’ দিলে না খেয়ে মরতে হবে! ভয়ে তড়িঘড়ি আলু-পেঁয়াজের খোঁজ লাগাল বাংলাদেশ – Bengali News | What if India Stops Export? Bangladesh Looking For options to Import Onion Potato
ঢাকা: অশান্তির আগুন নিভছে না বাংলাদেশে। লাগাতার হিন্দুদের উপরে অত্যাচারের অভিযোগ আসছে। অনেকেই ওপার বাংলা থেকে এপারে পালিয়ে আসার চেষ্টা করছেন। জটিল পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করতেই আজ, সোমবার বাংলাদেশে গিয়েছেন ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিশ্রি। এদিকে, ভারতের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে চিন্তায় পড়েছে বাংলাদেশ। তাদের নিত্য প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সামগ্রী যে ভারত থেকেই আসে। চাল, আলু, পেঁয়াজের মতো খাদ্যপণ্যের জন্যও ভারতের মুখ চেয়ে থাকতে হয়। এই পরিস্থিতিতে ভারত যদি রফতানি বন্ধ করে দেয়? বিপদ বুঝে আগেভাগেই বিকল্প খুঁজতে শুরু করেছে বাংলাদেশ।
প্রথম আলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশের ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের তরফে আলু, পেঁয়াজ আমদানিতে ভারতের বিকল্প খুঁজছে। এই নিয়ে বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে। কয়েকটি দেশের কথা ভাবনাচিন্তা করেছে বাংলাদেশ। তবে সেখান থেকে আমদানির খরচ বহন করতে পারবে কি না, তা নিয়েই চিন্তা পড়শি দেশের।
প্রসঙ্গত, ভারত থেকেই আলু আমদানি করে বাংলাদেশ। পেঁয়াজ আমদানি করে ভারত ও মায়ানমার থেকে। পাকিস্তান, চিন ও তুরস্ক থেকেও পেঁয়াজ আমদানি শুরু করলেও, তার পরিমাণ খুবই কম। এই পরিস্থিতিতে ভারতের বিকল্প খুঁজতে মাথা খুঁড়ছে বাংলাদেশ।
জানা গিয়েছে, বিটিটিসি আলু আমদানির জন্য চারটি দেশের কথা ভেবেছে। এগুলি হল জার্মানি, মিশর, চিন ও স্পেন। পেঁয়াজের জন্য চিন, পাকিস্তান ও তুরস্কের কথা ভাবছে। তবে আমদানির খরচ কত পড়বে, তা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তায় রয়েছে বাংলাদেশ।
আগে প্রতিদিন ভারত থেকে ৪০ থেকে ৫০টি পেঁয়াজের ট্রাক আসত। অশান্তি শুরু হতেই সেই আমদানি কমেছে। এখন দিনে ১০ থেকে ১২টি ট্রাক আসছে। যাতে সমস্যায় না পড়তে হয়, তার জন্যই বিকল্প খোঁজা। কারণ বাংলাদেশ কৃষিনির্ভর দেশ হলেও, সেখানে চাহিদার সমান উৎপাদন হচ্ছে না।
প্রসঙ্গত, ভারত থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে বাংলাদেশ দেড় লাখ টন আলু আমদানি করেছে। বাংলাদেশে বার্ষিক পেঁয়াজের চাহিদা ২৭-২৮ লাখ টন। গত অর্থবর্ষে ভারত থেকেই ২০ কোটি ডলারের পেঁয়াজ আমদানি করতে হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে দেড় কোটি ডলারের চাল রফতানি করা হয়েছিল বাংলাদেশে।
