Tab Fraud: বাংলার ট্যাব কেলেঙ্কারির জাল ছড়িয়েছে বাংলাদেশেও? তদন্তে নেমে চোখ কপালে উঠছে পুলিশের – Bengali News | Tab Fraud Money Going to Bangladesh, Speculations Growing, What Police saying know in detail
মালদহ-চোপড়া: ট্যাব কেলেঙ্কারি নিয়ে শোরগোল চলছেই। জোরকদমে ধরপাকড় চলাচ্ছে পুলিশ। দক্ষিণবঙ্গ থেকে উত্তরবঙ্গ, সর্বত্রই একই ছবি। ট্যাবের টাকার সাইবার জালিয়াতি কাণ্ডে মঙ্গলবার একাধিক জেলা থেকে ধরা পড়েছিল ৬ জন। এদিন উত্তর দিনাজপুরের চোপড়ায় ধৃত আরও দুই। ধৃতদের নাম কৃষ্ণপদ বর্মন ও সরিফুল ইসলাম। তাঁদের বাড়ি চোপড়া থানার দাসপাড়া এলাকায়। ইসলামপুর পুলিশের সঙ্গে যৌথ অভিযান চালায় কলকাতা পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ। ধৃতেরা আবার পেশায় চা শ্রমিক, সাধারণ চাষী বলে জানা যাচ্ছে।
অন্যদিকে মালদহ থেকে গ্রেফতার আরও ৪। গত দু’দিনে মালদহ থেকে গ্রেফতার মোট পাঁচ জন। প্রত্যেকেরই সাইবার ক্যাফে আছে। পুলিশের অনুমান বড় একটা চক্র কাজ করছে। যাঁদের সঙ্গে বাংলাদেশের যোগাযোগ রয়েছে বলেও সন্দেহ তদন্তকারীদের। মালদহে আবার অভিযান চালায় পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশ। ১২ ঘণ্টা টানা জিজ্ঞাসাবাদের পর চারজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ধৃত রকি শেখ, পিন্টু শেখ, শ্রবন সরকার ও জামাল শেখ। রকি এবং পিন্টু বৈষ্ণবনগর থানা চকসেহেরদী গ্রামের বাসিন্দা ও শ্রবণ সরকার এবং জামাল শেখ কৃষ্ণপুর এলাকার বাসিন্দা। ধৃতদের প্রত্যেকেরই সাইবার ক্যাফে রয়েছে। ১৫টি পেনড্রাইভ, ল্যাপটপ, কম্পিউটারের হার্ড ড্রাইভ, ডায়েরি, ব্যাঙ্কের নথি বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।
মালদহের ভগবানপুর কেবিএস স্কুলে চুক্তিভিত্তিক কম্পিউটার শিক্ষক হিসাবে কাজ করছিলেন রকি শেখ। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক স্কুলের অ্যাকাউন্টের লগইন ক্রেডেনশিয়াল সরবরাহ করার অভিযোগ রয়েছে। সেখান থেকেও বড় অংশের তছরুপ হয়েছে বলে মনে করেছেন তদন্তকারীরা। অন্যদিকে মঙ্গলবার মালদহ থেকেই হাসেম আলিকে পুলিশ গ্রেফতার করে। তদন্তকারীরা জানতে পারেন জুলাই মাসে হাসেম একটি মোবাইলে বাংলার শিক্ষা পোর্টাল অ্যাকসেস করে। নিজে একটি অ্যাকাউন্ট মোডিফাইও করেছিল। সে যে মোবাইলটি ব্যাবহার করতো সেটিও ইতিমধ্যেই বাজেয়াপ্ত করেছে পুলিশ।