RG Kar Case: 'অমানবিক...আর কিছু শুনব না', আরজি কর-কাণ্ডে রাজ্যকে তীব্র ভর্ৎসনা প্রধান বিচারপতির - Bengali News | Chief Justice of Calcutta High Court says inhumane incident on RG Kar Case - 24 Ghanta Bangla News
Home

RG Kar Case: ‘অমানবিক…আর কিছু শুনব না’, আরজি কর-কাণ্ডে রাজ্যকে তীব্র ভর্ৎসনা প্রধান বিচারপতির – Bengali News | Chief Justice of Calcutta High Court says inhumane incident on RG Kar Case

Spread the love

কলকাতা: হাসপাতালের ভিতরে ছিল মৃতদেহ, অথচ অধ্যক্ষ কোনও অভিযোগ জানালেন না। কীভাবে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া হল, এই প্রশ্ন তুলে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টি এস শিবজ্ঞানম। আরজি করের ঘটনাকে ‘অমানবিক’ বলে উল্লেখ করলেন তিনি।

মঙ্গলবার প্রথমার্ধের পর দুপুর ১ টায় ফের শুরু হয় শুনানি। আরজি কর কাণ্ডে মোট ৫টি জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। সেগুলির শুনানি চলছে প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে। শুনানিতে প্রধান বিচারপতি রাজ্যকে বলেন, “রাস্তায় তো আর মৃতদেহ পড়ে ছিল না। ওই প্রিন্সিপালের উচিৎ ছিল নিজে অভিযোগ করা। সেটা করেননি। আর কিছু শুনব না। অমানবিক। আপনি দায়িত্ব এড়াতে পারেন না।” রাজ্যের যুক্তি, অধ্যক্ষকে অভিযোগ করতে হয়নি, কারণ অভিযোগ পাওয়ার পর এফআইআর দায়ের করার ক্ষেত্রে কোনও দেরি হয়নি।

ঘটনার দিন সকাল থেকে যা হয়েছিল, তাক বিস্তারিত বিবরণ আদালতে জমা দিল রাজ্য। সেখানে জানানো হয়েছে-

সকাল সাড়ে ৯টায় অ্যাসিট্যান্ট সুপার ফোন করেছিলেন মৃত চিকিৎসকের বাড়িতে।

সকাল ১০টা ১০-এ ইন্সপেক্টর ইনচার্জ হাসপাতালে ফোন করেন, আরজি কর আউটপোস্ট থেকে।

সকাল ১০টা ৩০-এ টালা থানা থেকে ফোন করা হয়।

সকাল ১১ টার মধ্যে হোমিসাইড শাখা যায় আরজি করে। ১৫০ জন তখন সেখানে জমায়েত ছিল।

সকাল ১১ টা ৩০-এ সব শীর্ষ পুলিশ কর্তারা সেখানে পৌঁছে যান।

বাবা-মা সোদপুর থেকে বেলা ১টায় পৌঁছন।

বাবা-মা পৌঁছনোর পর তাঁদের সেমিনার হলে নিয়ে যাওয়া হয়। তিন ঘণ্টা বসানো হয়নি। সেমিনার হল অনেক বড়। ফরেন্সিক টিম কাজ করছিল। বাবা-মা’কে দেহের উল্টো দিকেই বসানো হয়।

আইনজীবী ফিরোজ এডুলজি অভিযোগ করেছেন, ময়নাতদন্তে নির্যাতিতা সহ তাঁর বাবা, মায়ের নাম প্রকাশ করে দেওয়া হয়েছে। অধ্যক্ষ নিজে সাতবার নির্যাতিতা নাম নিয়েছেন।

শুভেন্দুর আইনজীবী প্রশ্ন তোলেন, প্রিন্সিপালকে এখনও জিজ্ঞাসাবাদ করা হল না কেন।

রাজ্য জানায়, কোনও কিছু বাদ দেওয়া হয়নি। পরিবার খুশি ছিল। এ কথা শুনে প্রধান বিচারপতি খুশি শব্দটা বদলে সন্তুষ্ট বলার কথা বলেন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *