Foods To Beat Acidity: খেলেই পেটে অ্যাসিড, তীব্র বুক জ্বালা? রোজ দুপুরে এসব খাবার খেলে সমস্যা অনেকটাই কমবে - Bengali News | According To Ayurveda Doctor Add These 20 Foods To Beat Acid Reflux Acidity - 24 Ghanta Bangla News
Home

Foods To Beat Acidity: খেলেই পেটে অ্যাসিড, তীব্র বুক জ্বালা? রোজ দুপুরে এসব খাবার খেলে সমস্যা অনেকটাই কমবে – Bengali News | According To Ayurveda Doctor Add These 20 Foods To Beat Acid Reflux Acidity

Spread the love

খাওয়ার পর বুক জ্বালা, অ্যাসিডিটির সমস্যায় অনেকেই ভোগেন। আজকাল এই হজম জনিত সমস্যা অনেক বেড়েছে। এর প্রধান কারণ হল খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রা। পেট থেকে অ্যাসিড যখন গলার দিকে যায় তখন সেই সমস্যাকে বলা হয় অ্যাসিড রিফ্লাক্স। আর এই সমস্যা হলে তখনই বুক জ্বালা করে, গলা জ্বালা করে। কোনও রকম খাবার খাওয়ার ইচ্ছে থাকে না। বুকের মাঝে জ্বালাপোড়া ভাব, মুখে টকজল ওঠে, হেঁচকি ওঠে, নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ থাকে, পেট ফেঁপে থাকে এবং অস্বস্তি লেগেই থাকে তাহলে কিন্তু সতর্ক হতে হবে। গ্যাস, অম্বল খুব মামুলী মনে হলেও আদৌ তা সাধারণ সমস্যা নয়।

পরবর্তীতে এখান থেকেই সমস্যা অনেক বেশি জটিল হয়। আর তাই অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যায় প্রথম থেকেই নিজেকে ব্যবস্থা নিতে হবে। আয়ুর্বেদ চিকিৎসকরাও এই অ্যাসিড রুখতে বিশেষ পরামর্শ দিয়েছেন। আমাদের অধিকাংশেরই ধারণা হল অ্যাসিড হলে সব থেকে ভাল ওষুধ হল ভাত। ভাতের কোনও বিকল্প নেই আর ভাত খেলে পেট ঠান্ডা থাকে। তবে আয়ুর্বেদ চিকিৎসকেরা বলছে অ্যাসিড রিফ্লাক্সের সমস্যায় সবচেয়ে ভাল গমের রুটি। গম ভাঙিয়ে আটা তৈরি করে সেই আটার রুটি খান।

এতে ফাইবারের পরিমাণ বেশি থাকে। ফাইবার বেশি থাকলে হজমে কোনও রকম সমস্যা হয় না। এমনকী বুকজ্বালাও হয় না। ব্রাউন রাইসও এক্ষেত্রে খুব ভাল। রোজ দুপুরে ব্রাউন রাইসের ভাত খেতে পারলেও খুব ভাল। ব্রাউন রাইসের মধ্যে ম্যাগনেশিয়ামের পরিমাণ বেশি থাকে। সঙ্গে থাকে প্রয়োজনীয় ভিটামিন, খনিজ। যা খাদ্যনালীর পেশি শিথিল করে অ্যাসিড রিফ্লাক্স প্রতিরোধে সাহায্য করে।

মুসুর ডালের থেকে মুগ ডাল খাওয়া ভাল। এর মধ্যে ফাইবারের পরিমাণ অনেকটা বেশি থাকে। বিপাক হার বাড়াতে সাহায্য করে এই মুগ ডাল। ফাইবার থাকায় মল নরম হয়, ফলে বদহজম-অ্যাসিডিটির সম্ভাবনাও কমে যায়। কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতেও ভূমিকা রয়েছে এই মুগ ডালের। রোজ রাতে একগ্লাস জলে মিছরি আর মৌরি ভিজিয়ে রাখুন।

পরদিন সকালে তা ছেঁকে নিয়ে খালি পেটে খান। এর মধ্যে থাকে ম্যাগনেশিয়াম, পটাশিয়াম। যা আমাদের হজম ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে কালো কিশমিশ কিনে আনুন। রোজ রাতে এই কিশমিশ জলে ভিজিয়ে রাখুন। পরদিন সকালে তা ছেঁকে নিয়ে খান। এতে অ্যাসিডের সমস্যা হবে না, পেট থাকবে ঠান্ডা। অ্যাসিডিটির সমস্যায় ভাল কাজ করে গুলকন্দ। এক চামচ গুলকন্দ জলে মিশিয়ে খেলেও খুব ভাল কাজ হবে

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *