Solver gang behind NEET paper leak: নিটের প্রশ্নফাঁসের নেপথ্যে ‘সলভার গ্যাং’, MBBS ড্রপ-আউট রবি-ই মাস্টারমাইন্ড – Bengali News | Alleged mastermind behind NEET paper leak arrested by Uttar Pradesh STF
নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের মাস্টারমাইন্ড রবি অত্রি
নয়াদিল্লি: ২৪ লক্ষ পরীক্ষার্থী। তাঁদের ভবিষ্যৎ। ২০২৪ সালের নিট পরীক্ষা নিয়ে বিতর্ক ক্রমশ বাড়ছে। নিটের প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ঘিরে রাজনৈতিক তরজাও শুরু হয়েছে। তদন্তের দাবিতে রাস্তায় নেমেছেন পরীক্ষার্থীরা। এই পরিস্থিতিতে প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় অন্যতম মূল চক্রীকে গ্রেফতার করল উত্তর প্রদেশের স্পেশাল টাস্ক ফোর্স(STF)। ধৃতের নাম রবি অত্রি। গ্রেটার নয়ডার নিমকা গ্রাম থেকে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে গ্রেফতারের পরই উঠে আসছে ‘সলভার গ্যাং’-র কথা।
কী এই সলভার গ্যাং?
পুলিশ জানিয়েছে, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আগে থেকে পেয়ে যেত রবি অত্রির গ্যাং। তারপর সেই প্রশ্নগুলির উত্তর লিখে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করা হত। এর জন্য যে নেটওয়ার্ক তৈরি করেছিলেন, তারই নাম ‘সলভার গ্যাং’।
কে এই রবি অত্রি?
রবি নিজেও চিকিৎসক হতে চেয়েছিলেন। মেডিক্যাল এন্ট্রাস পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ২০০৭ সালে তাঁর পরিবার তাঁকে কোটা পাঠিয়েছিল। ২০১২ সালে তিনি মেডিক্যাল এন্ট্রান্স পরীক্ষায় পাশও করেন। রোহতাকে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তিও হন। কিন্তু, MBBS-র চতুর্থ বর্ষে এসে আর পরীক্ষায় বসেননি। পুলিশ জানিয়েছে, প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে রবির নাম এই প্রথম জড়াল না। ২০১২ সালে তাঁকে গ্রেফতার করেছিল দিল্লি পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তখন থেকে ‘পরীক্ষা মাফিয়া’-দের সংস্পর্শে চলে এসেছিলেন তিনি। অন্যের হয়ে পরীক্ষাও দিয়েছেন। এবং পরীক্ষার্থীদের মধ্যে প্রশ্ন ছড়িয়ে দেওয়ার কাজে যুক্ত হন। তারপরই ধীরে ধীরে ‘সলভার গ্যাং’-র মাস্টারমাইন্ড হয়ে উঠেন রবি।
চিকিৎসকের পেশায় প্রবেশের জন্য নিট(NEET) পরীক্ষা দিতে হয়। চব্বিশের নিট পরীক্ষায় বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। সুপ্রিম কোর্টে এই নিয়ে একাধিক আবেদন জমা পড়েছে। তার শুনানিও চলছে। এবারের নিট পরীক্ষায় ৬৭ জন পরীক্ষার্থী ৭২০ নম্বরের পরীক্ষা ৭২০ নম্বরই পেয়েছেন। আবার ১৫৬৩ জন পরীক্ষার্থীকে গ্রেস নম্বর দেওয়া হয়েছে। সুপ্রিম কোর্ট বেনিয়মের অভিযোগে পরীক্ষা নিয়ামক সংস্থা এনটিএ(NTA)-কে ভর্ৎসনা করেছে। আর এরই মধ্যে বিহার পুলিশের তদন্তে উঠে আসে, NEET পরীক্ষার প্রশ্ন কিছু বাছাই করা পরীক্ষার্থীর কাছে ফাঁস করা হয়েছিল। এরপরই বিহার পুলিশ একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। তার মধ্যে পরীক্ষার্থীও রয়েছে। তদন্ত যত এগোতে থাকে, সামনে আসে রবির নাম। তারপরই তাঁকে গ্রেফতার করে উত্তর প্রদেশ এসটিএফ।