'...আমি আর মেয়েকে সামলাতে পারছি না,' রাহাকে কোলে নিয়ে কাশ্মীরে কান্না আলিয়ার - Bengali News | Alia bhatt was unable to handle raha Kapoor and here is what she did - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘…আমি আর মেয়েকে সামলাতে পারছি না,’ রাহাকে কোলে নিয়ে কাশ্মীরে কান্না আলিয়ার – Bengali News | Alia bhatt was unable to handle raha Kapoor and here is what she did

৬ নভেম্বর, ২০২২ সাল। কাপুর পরিবারে ফুটফুটে রাহার জন্ম হয়। মা আলিয়া ভাট এবং বাবা রণবীর কাপুরের চোখের তারা সে। প্রচণ্ড আদরের রাহা এখন দেশের অন্যতম জনপ্রিয় তারকা সন্তান। পিসতুতো দাদা তৈমুর আলি খানের সমান ক্রেজ় তারও। রাহার জন্মের পরপরই তাঁর ব্যস্তবাগীশ মা আলিয়া যোগ দিয়েছিলেন কাজে। কাশ্মীরে চলে গিয়েছিলেন ছোট রাহাকে কোলে নিয়ে। সেই সময় রাহার বয়স ২-৩ মাস। করণ জোহরের ‘রকি অউর রানি কি প্রেম কাহানি’ ছবির কাজ করতে-করতে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েছিলেন আলিয়া। তাঁকে বিরতি নিতে হয় টানা ৯ মাস। নায়িকা অন্তঃসত্ত্বা, তাই শুটিংও থেমে ছিল ততগুলো মাস। সন্তানের জন্ম দিয়েই নিজেকে ফিট অ্যান্ড ফাইন প্রমাণ করেন আলিয়া। কামব্যাক করে ছবির গানের শুটিং সারতে কাশ্মীরে চলে যান। সেখানে গিয়েই কাঁদতে-কাঁদতে আলিয়া বলে ফেলেন, “আমি আর মেয়েকে সামলাতে পারছি না।”

সারাদিন কাশ্মীরের ঠান্ডায় ফিনফিনে শিফন শাড়ি পরে শুটিং করতেন আলিয়া। শুটিংয়ের প্যাকআপ সেরে সারা রাত জেগে বসে থাকতেন মেয়ে রাহার কাছে। তাঁকে স্তন্যপান করাতেন। একটা সময় পর হাল ছেড়ে দেন আলিয়া। মুম্বইয়ে স্বামী রণবীর কাপুরের কাছে ফোন করেন তিনি। কাঁদতে-কাঁদতে ব্যক্ত করেন কাজ এবং রাহা, দুটো একসঙ্গে কিছুতেই সামলাতে পারছেন না তিনি। রণবীর সেদিন অভয় দিয়ে আলিয়াকে বলেছিলেন, “আমি আসছি। তুমি চিন্তা না করে শুটিং করো। রাহাকে নিয়ে আমি ফিরে আসব।” রণবীরের থেকে এই আশ্বাস পেয়ে ফের কাজ মন বসিয়েছিলেন আলিয়া।

কাপুর পরিবারের প্রথা ভাঙেন রণবীর। এর আগে কাপুর পরিবারের বউরা বিয়ের পর সিনেমায় অভিনয় করা ছেড়েছিলেন। কিন্তু আলিয়াকে সেই শর্ত দেওয়া হয়নি। রণবীর কাপুর সেই মান্ধাতার আমলের প্রথার বিপরীত মেরুর মানুষ। স্ত্রীকে কিংবা মাকে তাঁদের কর্মজীবন থেকে সরিয়ে আনার পক্ষপাতি নন তিনি। এখানেই কাপুর-পুত্র ব্যতিক্রম। মা নিতু কাপুর এবং স্ত্রী আলিয়া ভাটের তাঁকে নিয়ে অহংকারের অন্ত নেই।

এই খবরটিও পড়ুন

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *