তামিলনাড়ুর জেল ভেঙে পালাল ১৭ বন্দি! ড্রোন ব্যবহার করে ফের জালে ১৩
তামিলনাড়ুর থেনি জেলায় ঘটে গিয়েছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। (Theni jail)থেক্কামপট্টি সাব-জেল থেকে ১৭ জন বন্দি পালিয়ে গেছেন। দক্ষিণ জোনের আইজি বিজয়েন্দ্র বিদারি জানিয়েছেন, ড্রোন নজরদারি…
তামিলনাড়ুর থেনি জেলায় ঘটে গিয়েছে এক চাঞ্চল্যকর ঘটনা। (Theni jail)থেক্কামপট্টি সাব-জেল থেকে ১৭ জন বন্দি পালিয়ে গেছেন। দক্ষিণ জোনের আইজি বিজয়েন্দ্র বিদারি জানিয়েছেন, ড্রোন নজরদারি ব্যবহার করে পুলিস দ্রুত পলাতকদের চিহ্নিত করতে সক্ষম হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার রাতে। বন্দিরা একসঙ্গে একই সেলে ছিলেন। তাঁরা একজনের অসুস্থতার অজুহাত তুলে কারাগারের কর্মীদের ডাকেন। কর্মীরা সেলে ঢোকার পর বন্দিরা তাঁদের ওপর হামলা চালান এবং পালিয়ে যান। কয়েকজন কারা কর্মী আহত হন। ঘটনার পরপরই থেনি পুলিসকে জানানো হয় এবং ব্যাপক তল্লাশি শুরু হয়।
আরও দেখুনঃ নির্বাচনের আগেই যোগী রাজ্যে বাজেয়াপ্ত অবৈধ অস্ত্র কারখানা
পুলিস আশপাশের এলাকায় বিশেষ দল মোতায়েন করে। (Theni jail )বাসস্ট্যান্ড, যানবাহন পরীক্ষা এবং বনাঞ্চলে তল্লাশি জোরদার করা হয়। প্রতিবেশী জেলা এবং কেরলের সীমান্ত এলাকায়ও সতর্কতা জারি করা হয়। ড্রোন ব্যবহার করে এলাকার উপর নজরদারি চালানো হয়, যাতে পলাতকদের অবস্থান দ্রুত শনাক্ত করা যায়। এই প্রযুক্তির সাহায্যে কয়েকজনকে ধরা সম্ভব হয়েছে বলে পুলিস জানিয়েছে।
আইজি বিজয়েন্দ্র বিদারি সাংবাদিকদের বলেন, এখন পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ দলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে এবং স্নিফার ডগও ব্যবহার করা হচ্ছে। পলাতকদের ছবি প্রচার করা হয়েছে যাতে স্থানীয় মানুষও সাহায্য করতে পারেন।
এই ঘটনা তামিলনাড়ুর কারা ব্যবস্থায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। কারা কর্তৃপক্ষের কয়েকজন কর্মীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত চলছে কীভাবে এতজন বন্দি একসঙ্গে পালাতে সক্ষম হলেন। প্রশাসন জানিয়েছে, নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করা হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। (Theni jail )অনেকেই বলছেন, পলাতক বন্দিরা যাতে কোনো অপরাধমূলক কাজে জড়িত না হন, সেদিকে নজর রাখা জরুরি। পুলিস আশ্বাস দিয়েছে যে দ্রুত সবাইকে গ্রেফতার করা হবে। থেনি এবং আশপাশের জেলাগুলোতে চেকপোস্ট বাড়ানো হয়েছে।
এই ঘটনা দেখিয়ে দিচ্ছে যে আধুনিক প্রযুক্তি যেমন ড্রোন কীভাবে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সাহায্য করে। পুলিসের দ্রুত ব্যবস্থাপনার ফলে ইতিমধ্যে বেশিরভাগ পলাতক ধরা পড়েছেন। বাকিদেরও শিগগিরই গ্রেফতার করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। কারাগারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যাতে না ঘটে, সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে।