‘সমঝোতা মেনেই টহলদারি...’ অরুণাচল এলএসি সংঘাত নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলল চিন - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘সমঝোতা মেনেই টহলদারি…’ অরুণাচল এলএসি সংঘাত নিয়ে প্রথমবার মুখ খুলল চিন

Spread the love

নয়াদিল্লি/বেজিং: অরুণাচল প্রদেশে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে মুখোমুখি সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হওয়া নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল বেজিং। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের…

নয়াদিল্লি/বেজিং: অরুণাচল প্রদেশে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (LAC) বরাবর ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে মুখোমুখি সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হওয়া নিয়ে অবশেষে মুখ খুলল বেজিং। চিনের বিদেশ মন্ত্রকের তরফে দাবি করা হয়েছে, ভারত ও চিনের মধ্যে সীমান্তে টহলদারি নিয়ে যে সমঝোতা হয়েছে, চিনা সেনা তা মেনেই কাজ করছে। সীমান্ত এলাকায় নিয়মিত টহলদারি চালানো হয় বলেও জানিয়েছে তারা। যদিও ভারতের স্পষ্ট বক্তব্য, চিন নির্ধারিত টহলদারির নিয়ম না মানলেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।

গত শুক্রবার ইন্দো-তিব্বত বর্ডার পুলিশ (ITBP)-এর ডিজি শত্রুজিৎ সিং কাপুর জানিয়েছিলেন, অরুণাচল প্রদেশে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর এখনও ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে মুখোমুখি সংঘাতের পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। এমনকি গত জুলাই মাসেও এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি। এর পরেই ভারতের তরফে জানানো হয়, দুই দেশের মধ্যে টহলদারি নিয়ে যে নিয়ম ও পদ্ধতি নির্ধারিত রয়েছে, চিনা সেনা তা মেনে না চললে সীমান্তে পরিস্থিতি বিঘ্নিত হয়।

চিনের বিদেশ মন্ত্রকের প্রতিক্রিয়া

ভারতের এই বক্তব্যের পর সোমবার প্রতিক্রিয়া জানায় চিনের বিদেশ মন্ত্রক। মন্ত্রকের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন বলেন, ভারত ও চিনের মধ্যে হওয়া চুক্তি এবং গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতাগুলি চিন ধারাবাহিকভাবে ও কঠোরভাবে মেনে চলে। নিজেদের আঞ্চলিক সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং সীমান্তে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সীমান্তবর্তী এলাকায় নিয়মিত টহলদারি ও পরিচালন সংক্রান্ত কাজ করা হয় বলেও জানান তিনি।

গুও আরও জানান, ভারত ও চিন কূটনৈতিক এবং সামরিক মাধ্যমের সাহায্যে পরস্পরের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার স্বার্থে ভারতও একই পথে এগোবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন চিনের এই মুখপাত্র।

দুই দেশের বক্তব্যে ফারাক কোথায়?

সীমান্তে টহলদারি নিয়ে দুই দেশের বক্তব্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। ভারতের সাফ বক্তব্য, চিনা সেনা সম্মত নিয়ম ও পদ্ধতি থেকে সরে এলেই প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় পরিস্থিতির অবনতি হয়। অন্যদিকে, চিনের দাবি, তারা দুই দেশের মধ্যে হওয়া সমঝোতা মেনেই সীমান্তে নিয়মিত টহলদারি চালায়। অরুণাচল প্রদেশে ভারত ও চিনের সেনার মধ্যে মুখোমুখি অবস্থানের এই পরিস্থিতি নিয়ে তৈরি হওয়া বক্তব্য-পাল্টা বক্তব্য নতুন করে সীমান্ত পরিস্থিতির দিকে নজর টানছে। তবে চিনের বিবৃতিতে সংঘাতের পরিস্থিতি সরাসরি অস্বীকার করা হয়নি; বরং তাদের বক্তব্যের মূল জোর রয়েছে চুক্তি মেনে টহলদারি চালানো এবং সীমান্তে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার উপর।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *