নাড়ু বানিয়ে স্বনির্ভর, নাওয়া–খাওয়ার সময় নেই শাশুড়ি–বৌমার
শাশুড়ি আর বৌমা মিলে তো নাড়ু–মোয়া বানিয়ে চলেছেন, দোকানে দোকানে পৌঁছে দেওয়া হয় কী ভাবে? প্রমীলা জানালেন, সে দায়িত্ব তাঁর স্বামী খোকন শিকদারের। প্রমীলার পুত্রবধূ অপর্ণা পাশ থেকে বলে উঠলেন, ‘মায়ের যেমন নাড়ু বানাতে খুব উৎসাহ, বাবার তেমন দোকানে সাপ্লাই দিতে।’ খোকন বললেন, ‘পাঁচ বছর আগেও সংসারে অভাব ছিল। স্ত্রী আর বৌমার এমন সিদ্ধান্তে এখন আমার নাওয়া–খাওয়ার সময় মেলে না।’ প্রমীলা–খোকনের ছেলে, অপর্ণার স্বামী প্রদ্যুৎ অবশ্য নাড়ুর এই ব্যবসায় নেই। না–থাকার কারণ, তিনি ভিন রাজ্যে হোটেলে কাজ করেন।