ভারতে ২০ লক্ষ কোটির গাড়ি ঋণের বাজার, বাড়ছে ঝুঁকিও - 24 Ghanta Bangla News
Home

ভারতে ২০ লক্ষ কোটির গাড়ি ঋণের বাজার, বাড়ছে ঝুঁকিও

Spread the love

নয়াদিল্লি: গাড়ি ও বাইক কেনার জন্য ঋণের (Vehicle Loans) উপর নির্ভরতা বাড়ছে ভারতে। ট্রান্সইউনিয়ন সিবিলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জুনে দেশে গাড়ি ও দু’চাকার গাড়ির ঋণের মোট পরিমাণ পৌঁছেছে ১২.৭৬ লক্ষ কোটি টাকায়। বাণিজ্যিক গাড়ির ঋণও ধরলে ক্রিফ হাই মার্কের হিসাবে গোটা যানবাহন ঋণের বাজারের আকার ২০.৫ লক্ষ কোটি টাকা। ঋণের মেয়াদ বৃদ্ধি, একাধিক ধরনের ঋণ নেওয়ার প্রবণতা এবং ছোট শহরে নন-ব্যাঙ্কিং ফিনান্সিয়াল কোম্পানি বা এনবিএফসির প্রসার এই বৃদ্ধির অন্যতম কারণ।

তবে ঋণের বাজার বাড়লেও আপাতত বড় ধরনের খেলাপির লক্ষণ তুলনামূলক কম। সিবিলের রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, যাত্রীবাহী গাড়ির ঋণে ৯০ থেকে ১৭৯ দিন বকেয়া থাকা ঋণের অনুপাত মাত্র ০.৫ শতাংশ। সংস্থার দাবি, এটি সর্বকালীন সর্বনিম্ন স্তর। দু’চাকার গাড়ির ঋণে এই হার ১.৪ শতাংশ, যা ২০১৯ সালের পর সর্বনিম্ন। কিন্তু ঋণগ্রহীতাদের প্রকৃত আয় কত এবং তাঁরা দীর্ঘমেয়াদে ঋণের কিস্তি মেটাতে পারবেন কি না, সেই প্রশ্নের পূর্ণ উত্তর এখনও নেই।

উৎসবের মরশুমে গাড়ি বিক্রি, ঋণের চাহিদাও বাড়ছে

ফেডারেশন অফ অটোমোবাইল ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশনস বা ফাডার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে ভারতে খুচরো গাড়ি বিক্রি ২৫ লক্ষ ইউনিট ছাড়িয়েছিল। ওই মাসে গত বছরের তুলনায় অটোমোবাইল শিল্পের খুচরো বিক্রি বেড়েছিল ৩১.৮২ শতাংশ।

তবে ফাডার সভাপতি সাই গিরিধর এই বৃদ্ধিকে কিছুটা ব্যতিক্রমী বলে ব্যাখ্যা করেছেন। তাঁর মতে, ২০২৫ সালের ২২ সেপ্টেম্বর জিএসটি ২.০ কার্যকর হওয়ার আগে অনেক ক্রেতা গাড়ি কেনা পিছিয়ে দিয়েছিলেন। ফলে তুলনার ভিত্তি দুর্বল হওয়ায় ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে বৃদ্ধির হার অস্বাভাবিকভাবে বেশি দেখাতে পারে। তাঁর মতে, ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষের প্রথম পাঁচ মাসে, অর্থাৎ সেপ্টেম্বরের আগের সময়ে প্রায় ১৭ শতাংশ বৃদ্ধি বাজারের প্রকৃত গতির ভালো ইঙ্গিত দেয়।

ট্রান্সইউনিয়ন সিবিলের এমডি ও সিইও ভাবেশ জৈনের বক্তব্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রায় প্রতি ১০টি নতুন গাড়ির মধ্যে ৯টি এবং প্রতি ১০টি দু’চাকার গাড়ির মধ্যে ৬টি ঋণের মাধ্যমে কেনা হচ্ছে। ফলে গাড়ি বিক্রির বৃদ্ধি সরাসরি যানবাহন ঋণের বাজারকেও প্রভাবিত করছে।

গাড়ির ঋণের অঙ্ক বাড়ছে, মেয়াদও দীর্ঘ হচ্ছে

সিবিলের রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০১৯ সালের তুলনায় নতুন ও পুরনো যাত্রীবাহী গাড়ির ঋণে গড় অনুমোদিত অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫০ শতাংশ বেড়ে ৮.২ লক্ষ টাকায় পৌঁছেছে। একই সময়ে সামগ্রিক মূল্যবৃদ্ধি ছিল প্রায় এক-তৃতীয়াংশ। গাড়ির দাম বৃদ্ধি এবং ছোট গাড়ির বদলে এন্ট্রি-লেভেল এসইউভির দিকে ক্রেতাদের ঝোঁককে এর অন্যতম কারণ বলে ব্যাখ্যা করেছেন ভাবেশ জৈন।

অন্যদিকে, ক্রিফের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের এপ্রিল থেকে জুনের মধ্যে নতুন গাড়ির গড় ঋণের পরিমাণ ছিল ৮.৬ লক্ষ টাকা, যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ১.২ শতাংশ বেশি। অর্থাৎ ঋণের অঙ্ক বাড়লেও বৃদ্ধির গতি কিছুটা কমেছে।

ঋণের মাসিক কিস্তি সামলাতে ক্রেতারা আরও দীর্ঘ মেয়াদ বেছে নিচ্ছেন। সিবিলের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের তুলনায় গাড়ির ঋণের গড় মেয়াদ পাঁচ মাস বেড়েছে। বর্তমানে তা পাঁচ বছরের সামান্য বেশি।

দীর্ঘ মেয়াদে মাসিক কিস্তি কমানো সম্ভব হলেও মোট সুদের খরচ বেড়ে যেতে পারে। তাই শুধু মাসিক কিস্তি দেখে ঋণ নেওয়ার সিদ্ধান্ত না নিয়ে সুদের হার, প্রসেসিং ফি এবং মোট পরিশোধযোগ্য অর্থ হিসাব করা গুরুত্বপূর্ণ।

পুরনো গাড়ির ঋণেও বাড়ছে চাহিদা

সিবিলের হিসাবে, যাত্রীবাহী গাড়ির মোট ঋণের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ব্যবহৃত বা পুরনো গাড়ি কেনার সঙ্গে যুক্ত। প্রায় ১১ লক্ষ কোটি টাকার যাত্রীবাহী গাড়ির ঋণের মধ্যে পুরনো গাড়ির ঋণের পরিমাণ আনুমানিক ২ লক্ষ কোটি থেকে ২.৫ লক্ষ কোটি টাকা।

২০২৪ সালে পুরনো গাড়ির ঋণে খেলাপি বাড়ার পর এই ক্ষেত্রে নতুন ঋণ দেওয়ার গতি কিছুটা কমেছিল। তবে ক্রিফের তথ্য অনুযায়ী, গত পাঁচ বছরে যানবাহন ঋণের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে পুরনো গাড়ির অর্থায়ন দ্রুত বেড়েছে। এই বিভাগে চক্রবৃদ্ধি বার্ষিক বৃদ্ধির হার ২৬.২ শতাংশ। নতুন পুরনো-গাড়ি ঋণগ্রহীতাদের অংশও উল্লেখযোগ্য, মোট ঋণ অনুমোদনের প্রায় ৭৫ শতাংশ এমন গ্রাহকদের জন্য, যাঁরা আগে পুরনো গাড়ির ঋণ নেননি।

একটি ঋণের পর একাধিক ঋণ, নজরে তরুণ গ্রাহকেরা

সিবিলের তথ্য অনুযায়ী, ২০২২ সালের দ্বিতীয়ার্ধে যাঁরা দু’চাকার গাড়ির ঋণ নিয়েছিলেন, তাঁদের দুই-তৃতীয়াংশেরও বেশি ২০২৫ সালের দ্বিতীয়ার্ধের মধ্যে অন্য কোনও ঋণ নিয়েছেন। সাধারণত প্রথম ঋণের ১২ থেকে ১৮ মাসের মধ্যে পরবর্তী ঋণ নেওয়ার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে।

এই গ্রাহকদের মধ্যে ৪০ শতাংশেরও বেশি গড়ে ২৩ হাজার টাকার কনজিউমার ডিউরেবল ঋণ নিয়েছেন। প্রায় ২১ শতাংশ গ্রাহক ব্যক্তিগত ঋণ নিয়েছেন, যার গড় অঙ্ক ২.৪৭ লক্ষ টাকা। এ ছাড়া ১৮ শতাংশ সোনার ঋণ এবং ১৪ শতাংশ ক্রেডিট কার্ড নিয়েছেন।

এই প্রবণতা ঋণদাতাদের কাছে ব্যবসা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি করলেও গ্রাহকের মোট ঋণের বোঝা বাড়ার আশঙ্কাও তৈরি করে। একটি বাইকের ঋণ নেওয়ার পর ব্যক্তিগত ঋণ, ক্রেডিট কার্ড বা অন্যান্য অনিরাপদ ঋণ যোগ হলে মাসিক আয়ের উপর চাপ বাড়তে পারে।

সিবিলের বক্তব্য, ক্রেডিট হিস্ট্রি নেই এমন নতুন ঋণগ্রহীতাদের একটি বড় অংশ এখন মোবাইল ফোন ও কনজিউমার ডিউরেবল ঋণের মাধ্যমে ঋণব্যবস্থায় প্রবেশ করছেন। তবুও দু’চাকার গাড়ির ঋণগ্রহীতাদের প্রায় ৪০ শতাংশের এখনও কোনও পূর্ববর্তী ক্রেডিট হিস্ট্রি নেই। ২০১৯ সালে এই হার ছিল প্রায় ৬০ শতাংশ।

তবে ঋণগ্রহীতাদের আয়ের তথ্য পর্যাপ্ত না থাকায় তাঁদের প্রকৃত ঋণ পরিশোধের ক্ষমতা নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করা কঠিন বলে জানিয়েছেন ভাবেশ জৈন। সিবিল তাই ঋণ নেওয়ার ব্যবধান, নতুন ঋণের সংখ্যা এবং অনিরাপদ ঋণের বৃদ্ধি মতো আচরণগত সূচকের উপর নজর রাখে।

ছোট শহরে এনবিএফসির প্রভাব বাড়ছে

সিবিলের তথ্য অনুযায়ী, দু’চাকার গাড়ির ঋণগ্রহীতাদের ৬৪ শতাংশ আধা-শহর ও গ্রামীণ অঞ্চলে বসবাস করেন। ২০২৬ সালের প্রথমার্ধে দু’চাকার গাড়ি ও যাত্রীবাহী গাড়ির মোট নতুন ঋণের ৬১ শতাংশ এসেছে এই অঞ্চলগুলি থেকে। ২০১৯ সালে এই হার ছিল ৫৬ শতাংশ।

এই প্রবণতাকে ‘ভারত’ বা ছোট শহর ও গ্রামীণ বাজারের বৃদ্ধি হিসেবে দেখছে সিবিল। এসব অঞ্চলে ঋণ পৌঁছে দিতে এনবিএফসির ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

সিবিলের রিপোর্ট অনুযায়ী, বর্তমানে সক্রিয় দু’চাকার গাড়ির ঋণের প্রায় ৭৫ শতাংশ এনবিএফসির হাতে রয়েছে। ২০১৯ সালে এই হার ছিল ৬৩ শতাংশ। যাত্রীবাহী গাড়ির ঋণের ক্ষেত্রেও এনবিএফসির অংশ বেড়ে ৩৭ শতাংশ হয়েছে, যা আগের তুলনায় চার শতাংশ পয়েন্ট বেশি।

এনবিএফসিগুলি ছোট শহরে ডিলার নেটওয়ার্ক এবং সরাসরি বিক্রয় প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এমন গ্রাহকদের কাছেও ঋণ পৌঁছে দিয়েছে, যাঁদের আগে কোনও ক্রেডিট হিস্ট্রি ছিল না। তবে ব্যাঙ্কের তুলনায় এনবিএফসির ঋণের সুদের হার বেশি হতে পারে। সংশ্লিষ্ট রিপোর্টগুলিতে সুদের হারের বিস্তারিত তুলনা না থাকায় গ্রাহকদের অতিরিক্ত কত খরচ হচ্ছে, তা নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না।

বাণিজ্যিক গাড়ির ঋণে খেলাপির ঝুঁকি

ক্রিফের রিপোর্ট অনুযায়ী, বাণিজ্যিক গাড়ির ঋণের বাজারের আকার প্রায় ৭.৪ লক্ষ কোটি টাকা। এই ক্ষেত্রে ৩১ থেকে ৯০ দিন বকেয়া থাকা ঋণের অনুপাত ৪.১ শতাংশ। যানবাহন ঋণের বিভিন্ন বিভাগের মধ্যে এই প্রাথমিক খেলাপির হার সর্বোচ্চ হলেও, এক বছর আগে তা ছিল ৫ শতাংশ।

একই সঙ্গে একাধিক সক্রিয় ঋণ থাকা বাণিজ্যিক গাড়ির ঋণগ্রহীতার অনুপাতও বাড়ছে। ২০২১ সালের জুনে এই হার ছিল ১৫.৭ শতাংশ, যা ২০২৬ সালের জুনে বেড়ে ১৯.৯ শতাংশ হয়েছে। ক্রিফের মতে, এই ধরনের ঋণগ্রহীতাদের ক্ষেত্রে ঋণদাতাদের আরও সতর্কভাবে সামগ্রিক ঋণের বোঝা যাচাই করা দরকার।

অন্যদিকে, ফাডার তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বর মাসে যাত্রীবাহী গাড়ির ডিলারদের কাছে মজুত আরও পাঁচ দিন বেড়ে ৪৩ থেকে ৪৫ দিনের পর্যায়ে পৌঁছেছে। শিল্পক্ষেত্রে সাধারণত ২১ দিনের মজুতকে মানদণ্ড হিসেবে দেখা হয়। উৎসবের মরশুমের আগে প্রায় ৬০ শতাংশ ডিলারের কাছে অতিরিক্ত গাড়ি মজুত ছিল বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। বিক্রি প্রত্যাশা অনুযায়ী না বাড়লে এই অতিরিক্ত মজুত ডিলারদের উপর আর্থিক চাপ তৈরি করতে পারে।

ইলেকট্রিক গাড়ির ঋণের ঝুঁকি আলাদা করে বোঝা যাচ্ছে না

ফাডার তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বরে মোট দু’চাকার গাড়ি বিক্রির ১১.৫৮ শতাংশ এবং যাত্রীবাহী গাড়ি বিক্রির ৮.৪৫ শতাংশ ছিল ইলেকট্রিক গাড়ি। ওই মাসে সব ধরনের যানবাহন মিলিয়ে ইভি বিক্রি প্রায় ৩.৩৪ লক্ষ ইউনিটে পৌঁছেছিল, যা মাসিক বিক্রির নতুন রেকর্ড বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। মোট যানবাহন বিক্রিতে ইভির অংশ ছিল প্রায় ১৩ শতাংশ।

তবে সিবিল জানিয়েছে, তাদের কাছে ঋণের তথ্য এমনভাবে চিহ্নিত করা নেই, যাতে ইলেকট্রিক গাড়ির ঋণকে অন্য গাড়ি বা দু’চাকার গাড়ির ঋণ থেকে আলাদা করে বিশ্লেষণ করা যায়। ফলে ইভি ঋণের খেলাপির হার বা ঝুঁকি অন্য গাড়ির ঋণের তুলনায় কেমন, তা নির্দিষ্টভাবে বোঝা যাচ্ছে না।

দু’চাকার গাড়ির ঋণগ্রহীতাদের প্রায় ৬০ শতাংশের বয়স ৩৫ বছর বা তার কম। কিন্তু সিবিলের তথ্য থেকে বোঝা যায় না, কোনও গ্রাহক ব্যক্তিগত যাতায়াতের জন্য বাইক কিনেছেন, নাকি ডেলিভারি বা গিগ অর্থনীতির কাজে ব্যবহার করছেন। গিগ কর্মীদের আয় ওঠানামা করলে নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চলে ঋণ পরিশোধের সমস্যা দেখা দিতে পারে, যদিও বর্তমান তথ্য থেকে এমন ঝুঁকির সুনির্দিষ্ট মাত্রা নির্ধারণ করা যাচ্ছে না।

বড় আর্থিক সংকটের আশঙ্কা কি রয়েছে?

সিবিলের মতে, সামগ্রিকভাবে যানবাহন ঋণের বাজারে বর্তমানে বড় ধরনের পদ্ধতিগত ঝুঁকির স্পষ্ট লক্ষণ নেই। সংস্থার দাবি, ঋণগ্রহীতারা আগের তুলনায় ক্রেডিট স্কোর সম্পর্কে বেশি সচেতন হয়েছেন এবং ঋণ অনুমোদনের সময় ক্রেডিট ব্যুরোর তথ্য ব্যবহারের প্রবণতাও বেড়েছে।

সিবিলের হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে ঋণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত গ্রাহকদের প্রায় ৩৫ শতাংশ নিজেদের ক্রেডিট স্কোর নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেন। ২০১৬ সালে এই হার ছিল প্রায় ১ শতাংশ। পাশাপাশি ৩০ দিনের বেশি এবং ৬০ দিনের বেশি বকেয়া থাকা ঋণের ক্ষেত্রেও নতুন করে বড় ধরনের চাপের লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না বলে সংস্থার বক্তব্য।

তবে সিবিল স্বীকার করেছে, একাধিক ঋণ নিয়ে অতিরিক্ত ঋণগ্রস্ত হয়ে পড়া গ্রাহকদের একটি ছোট অংশ রয়েছে। এই ঝুঁকি কোনও নির্দিষ্ট বয়সের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয় এবং বিভিন্ন ধরনের ঋণে ছড়িয়ে রয়েছে। তাই ঋণের বাজারের সামগ্রিক খেলাপি কম থাকলেও, ব্যক্তিগত আয় ও মোট ঋণের বোঝার মধ্যে ভারসাম্য বজায় থাকছে কি না, তা পর্যবেক্ষণ করা জরুরি।

ভারতের যানবাহন ঋণের বাজারের দ্রুত বৃদ্ধি অর্থনীতিতে গাড়ি কেনার চাহিদা ও ঋণপ্রাপ্তির সুযোগ বাড়ার ইঙ্গিত দেয়। কিন্তু ঋণের প্রকৃত স্থায়িত্ব বিচার করতে শুধু খেলাপির হার যথেষ্ট নয়। ঋণগ্রহীতাদের আয়, মাসিক কিস্তির চাপ, একাধিক ঋণের বোঝা এবং ভবিষ্যতে আয়ের স্থায়িত্বও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

Essential Business Intelligence, Sharp Market Insights, Practical Personal Finance Advice, Daily Fuel, Gold and Silver Prices and Latest Stories – On Kolkata24x7 Business

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *