ফ্লাইটে ৩ ঘণ্টা সিপিআর দিয়ে যাত্রীকে বাঁচালেন ডাক্তার
প্রবীর সেখানে পৌঁছে দেখেন গ্যালির মেঝেতে বড়সড় চেহারার মাঝবয়সী এক ব্যক্তি শুয়ে। জ্ঞান নেই। অক্সিজেন দিয়ে, মাথায় জল দিয়ে এয়ারহস্টেসরা আপ্রাণ তাঁর জ্ঞান ফেরানোর চেষ্টা করছেন। তার পরে শুরু হয় প্রবীরের লড়াই। তিন ঘণ্টা ধরে পাঁচ–দশ মিনিট অন্তর সিপিআর (কার্ডিয়ো–পালমোনারি রিসাসিটেশন, যার সাহায্যে বুকে পাম্প করে হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্র সচল রাখার চেষ্টা করা হয়) দিয়ে কার্যত প্রাণ বাঁচিয়েছেন পাঞ্জাবের জলন্ধরের ওই ব্যক্তির। পাইলট বার বার ককপিট থেকে ফোন করে জানতে চেয়েছেন, প্রেশার কত, স্যাচুরেশন কত, ফ্লাইট ডাইভার্ট করতে হবে কি না। আর প্রবীর বার বার আশ্বাস দিয়ে গিয়েছেন, সিচুয়েশন একটু একটু বেটার হচ্ছে। তিন ঘণ্টা পরে সত্যিই পরিস্থিতি একটু ভালো হলে ড্রিমলাইনারের পিছনের সিট খালি করে শুইয়ে দেওয়া হয় ওই যাত্রীকে। ফ্লাইটের বাকি সময়টা তাঁর পায়ের কাছে বসে মনিটর করতে করতে দিল্লি ফিরেছেন প্রবীর। ফ্লাইটকে আর ডাইভার্ট করতে হয়নি।