শান্ত থাকতে হবে ১ বছর! ৫০,০০০ র বন্ডে মুক্ত দীপকে গ্যাং - 24 Ghanta Bangla News
Home

শান্ত থাকতে হবে ১ বছর! ৫০,০০০ র বন্ডে মুক্ত দীপকে গ্যাং

Spread the love

নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির তিন নেতা অভিজিত দীপকে, আশুতোষ রঙ্কা (Abhijit Dipke)এবং সৌরভ দাসকে আদালত থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করতে…

নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির তিন নেতা অভিজিত দীপকে, আশুতোষ রঙ্কা (Abhijit Dipke)এবং সৌরভ দাসকে আদালত থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করতে এসে বিমান থেকেই গ্রেফতার হন তারা। দিল্লি পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে যে ভারতীয় নাগরিক সুরক্ষা সংহিতার ১২৬ এবং ১৭০ ধারা অনুসারে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছিল। সব বৈধ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে তাঁদের রবিবার দিল্লি ক্যান্টের বিশেষ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়।

আদালতে হাজির হওয়ার পর তাঁদের পক্ষ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকার জামিন বন্ড জমা দেওয়া হয়। এই বন্ডের শর্ত হল এক বছরের জন্য শান্তি ও সুস্থ আচরণ বজায় রাখা। (Abhijit Dipke)শর্ত মেনে আদালত তাঁদের মুক্তি দেয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, তাঁরা মুম্বাই থেকে দিল্লিতে এসেছিলেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদে অংশ নিতে। ভোটার তালিকা সংশোধনের বিষয়ে অনিয়মের অভিযোগ তুলে তাঁরা যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করার পরিকল্পনা করেছিলেন।

আরও দেখুনঃ গোপন করা হয়নি ঠাকুমার মৃত্যু সংবাদ! বাড়ি ফেরার সব ধরনের সহায়তা প্রস্তাব দীপকেকে

শনিবার বিমান অবতরণের পরপরই পুলিশ বিমানের ভেতরে ঢুকে তাঁদের আটক করে। এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। নেতারা নিজেরাই লাইভ ভিডিও করে পরিস্থিতি তুলে ধরেছিলেন। তাঁরা দাবি করেছিলেন যে এটি গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করার চেষ্টা। অন্যদিকে পুলিশের অবস্থান ছিল আইনশৃঙ্খলা রক্ষার প্রয়োজনে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। দিল্লিতে সেদিন কয়েক হাজার মানুষকে প্রতিরোধমূলকভাবে আটক করা হয় যাতে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়।

রবিবার সকালে আদালতে উপস্থিতির পর পরিস্থিতি পরিষ্কার হয়। ম্যাজিস্ট্রেট আদালত জামিন মঞ্জুর করে এবং তাঁদের মুক্তি দেয়। ককরোচ জনতা পার্টির আইনি বিষয়ক প্রধান রত্না সিং এই খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে নেতারা এখন মুক্ত এবং তাঁরা আদালতের শর্ত মেনে চলবেন। তবে দলের তরফে বলা হয়েছে যে তাঁদের সংগ্রাম অব্যাহত থাকবে।

এই ঘটনা আবারও প্রতিরোধমূলক গ্রেফতারের বিষয়টি সামনে এনেছে। (Abhijit Dipke)নতুন ফৌজদারি আইনে শান্তি বজায় রাখার জন্য এমন ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। পুলিশ বলছে সব নিয়ম মেনেই কাজ করা হয়েছে। অন্যদিকে বিরোধীরা বলছেন যে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকেও এভাবে বাধা দেওয়া উচিত নয়। তিন নেতার মুক্তির পর দিল্লির রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন যে এমন পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা কতটা ছিল।

অভিজিত দীপকে দলের প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে পরিচিত। সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রঙ্কাও দলের গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। তাঁদের গ্রেফতার ও মুক্তির পুরো প্রক্রিয়া আইনের চোখে স্বচ্ছ ছিল বলে পুলিশ দাবি করেছে। আদালতের শর্ত অনুযায়ী তাঁদের এক বছর শান্তিপূর্ণ আচরণ করতে হবে। শর্ত ভঙ্গ করলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে দিল্লিতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। যন্তর মন্তর এলাকায় বড় ধরনের মোতায়েন ছিল। ফলে পরিকল্পিত বিক্ষোভ পুরোপুরি হয়ে উঠতে পারেনি। এখন নেতারা মুক্ত হওয়ায় পরবর্তী পদক্ষেপ কী হবে সে বিষয়ে দলের তরফে ঘোষণা আসতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *