রাজ্যে গুন্ডা দমন আইন দ্রুত চালু হবে, আশাবাদী শুভেন্দু - 24 Ghanta Bangla News
Home

রাজ্যে গুন্ডা দমন আইন দ্রুত চালু হবে, আশাবাদী শুভেন্দু

Spread the love

এই সময়: রাজ্যে গুন্ডা দমন আইন দ্রুত চালু হবে বলে আশাবাদী মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার সকালে ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ড থেকে ‘ডায়াল ১১২’ জরুরি পরিষেবার সূচনা করেন তিনি। নতুন এই পরিষেবায় ‘১১২–নম্বরে’ ডায়াল করলে অবিলম্বে ঘটনাস্থলে পৌঁছবে পুলিশের বিশেষ গাড়ি এবং বাইক। অনুষ্ঠানে শুভেন্দু বলেন, ‘গুন্ডা দমন আইন রাষ্ট্রপতির কাছে ইতিমধ্যেই অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। তা দ্রুত কার্যকর হবে। এনডিপিএস (মাদক দমন) আইনের একটি ক্ষেত্রে কেন্দ্রের আইনের সঙ্গে ক্ল্যাশ করছে। আমাদের ক্ষেত্রে ক্যাপিটাল পানিশমেন্ট বা সর্বোচ্চ সাজার সংস্থান রয়েছে। আশা করছি, সমস্যা হবে না। কারণ, অন্য রাজ্য অনুমোদন পেয়েছে।’

পুলিশ বাহিনীর উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী এ দিন বার্তা দেন, মাদক পাচার হোক বা ধর্ষণ, রাজ্য সরকার জি়রো টলারেন্স নীতি নিয়ে চলবে। প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির ঘটনায় অভিযুক্তরা যত বড় প্রভাবশালীর ঘনিষ্ঠ হোক না কেন, তাদেরও ‘টাইট’ করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আগে পুলিশ ঢাল–তরোয়ালহীন ছিল। আমি বাহিনীর অন্দরে ঢুকে বুঝেছি, কোথায় সমস্যা রয়েছে। পুলিশের লোকবল, পরিকাঠামো যদি ঠিক করা না হয়, তা হলে ওঁরা কাজ করবে কী ভাবে?’

এ দিন তাঁর বক্তব্যে উঠে আসে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের প্রসঙ্গও। শুভেন্দু বলেন,‘উত্তর প্রদেশে লাখে ২০০ জন পুলিশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর এখানে সিভিক নির্ভর পুলিশ ব্যবস্থা হয়ে গিয়েছিল। আমি পুলিশ রিক্রুটমেন্ট বোর্ডের সঙ্গে কথা বলে নিয়োগের সমস্যা মিটিয়েছি। এ রাজ্যে প্রতি এক লাখে মাত্র ১০৫ জন করে পুলিশ। লোক না বাড়িয়ে লড়াই করতে পাঠালে আপনারাই তো আক্রান্ত হবেন। আমি যতদিন আছি এ সব আর হবে না।’ পার্ক স্ট্রিটের ঘটনা মনে করিয়ে তিনি বলেন, ‘পুলিশকে লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হলো। আমি নিজে সেখানে গিয়েছিলাম। পুলিশের গায়ে যদি কেউ হাত দেয়, সব থেকে খারাপ হবে। আসোনসোলে ফাঁড়ি ভেঙে ছিল ওরা। টাকা আদায় করেছি।’

এ দিন ডায়াল–১১২ পরিষেবার উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘এখন ডায়াল ১০০–তে কেউ ফোন করে না। সকলে জানে, ফোন করলে ধরবে না। এখন যে কোনও সমস্যায় ফোন করলে সব রকমের সাহায্য মিলবে। পুলিশকে কাজ করতে দিতে হবে। আমি নিজেই তো সিবিআই, এনআইএ চাইতাম।’

তাঁর সংযোজন, ‘আপনাদের ব্যবহার করা হয়নি। পুলিশকে এতদিন হাত–পা বেঁধে রাখা হয়েছে। আপনাদের বলছি, কোনও রাজনৈতিক দল দেখবেন না। দোষ করলেই শাস্তি পেতে হবে। আরজি কর, বারুইপুরের মতো আর ইনসিডেন্ট যেন না হয়। আপনাদেরই দেখতে হবে। মন খুলে, হৃদয় দিয়ে কাজ করুন। সরকারের সিদ্ধান্ত কার্যকরের ক্ষেত্রে আপনাদের সাহায্য চাইব।’

এ দিন একই সঙ্গে রাজ্যের ৪৫০টি থানার জন্য ৪৫০টি নতুন গাড়ি এবং একই সংখ্যক মোটরবাইকের পথ চলারও সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধিনাথ গুপ্ত বলেন, ‘মোট ৯০০টি গাড়ি রাজ্যের জরুরি পরিষেবার জন্য দেওয়া হয়েছে। যাতে যে কোনও পরিস্থিতিতে পুলিশ দ্রুত পৌঁছতে পারে।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *