দিল্লি যেন দুর্গ, ‘নিট’ থেকে শিক্ষা নিয়েই ধর্নার আগে তৎপর পুলিশ
সুদেষ্ণা ঘোষাল, নয়াদিল্লি
জুলাই মাসের সেই স্মৃতি এখনও দগদগে। নিট–প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশন ও ধর্নার যে ছবি দেখা গিয়েছিল, তার সমস্ত উপকরণ মজুত ছিল শনিবারও। কিন্তু অতীত থেকে শিক্ষা নিয়েই যন্তর মন্তরকে প্রায় জনশূন্য রাখতে আগে থেকে তৎপর ছিল দিল্লি পুলিশ। আড়াই মাস আগে যে নেতাদের পথে নেমে মিছিল বা আন্দোলনে নেতৃত্ব দিতে দেখা গিয়েছে, সেই ‘ককরোচ’দের যন্তর মন্তরে ঘেঁষতেই দিল না দিল্লি পুলিশ। ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র (সিজেপি) আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে, সৌরভ দাস, আশুতোষ রাঙ্কারা রাজধানীর মাটি ছুঁতে না–ছুঁতেই ফ্লাইটের ভিতরে ঢুকে তাঁদের আটক করে দিল্লি পুলিশ। মুম্বই থেকে রওনা হওয়ার আগে শুক্রবার রাতে এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন দীপকে নিজেও। ভিডিয়োবার্তায় তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, তাঁদের দিল্লি এয়ারপোর্টেই হয়তো আটক করে নেওয়া হবে! দীপকের সেই আশঙ্কাই অক্ষরে অক্ষরে মিলল এ দিন। ‘যন্তর মন্তর ২.০’ হওয়ার কথা ঘোষণা যাঁরা করেছিলেন, সেই প্রথম সারির জেন জ়ি নেতাদের এই দিনটা অন্তত কাটাতে হলো দিল্লি পুলিশের ঘেরাটোপেই! দিনের শেষে জানা গেল, দিল্লিতে এই প্রতিবাদ আন্দোলনের জন্য মোট ১৮০০ জনকে আটক বা গ্রেপ্তার করা হয়েছে। যদিও প্রতিবাদীদের দাবি, সংখ্যাটা আরও অনেক বেশি।