ফর্ম-৬ সংশোধনের নির্দেশ কার? সুপ্রিম-তোপে ইসি!
সিজেআই কান্ত বলেন, ‘আমরা যে কোনও সিদ্ধান্তকে পরিবর্তন করতে পারি৷’ যদিও বিকাশের যুক্তি, ‘যে নির্বাচন সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে, সেই নির্বাচন রদ করা কি সম্ভব?’ সিজেআইয়ের বক্তব্য, ‘আপনি একটি সংবাদপত্রের প্রতিবেদনের ভিত্তিতে অভিযোগ করছেন৷ প্রতিবেদনের ভিত্তিতে আমরা কোনও নির্দেশ দিতে পারি না৷ রিপোর্টটি পুরো সত্য হতে পারে, আংশিক সত্য হতে পারে, আবার ভুলও হতে পারে৷’ তখন বিকাশের যুক্তি, ‘যতদিন পর্যন্ত না বিষয়টির ফয়সালা হচ্ছে, ততদিন পর্যন্ত শুধু সর্বসম্মত সিদ্ধান্তই নিতে পারবে কমিশন, এই নির্দেশ দেওয়া হোক৷ সিইসি-কে একা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে দেওয়া যাবে না৷’ বিচারপতি বাগচী বলেন, ‘আমাদের নোটিস জারি করতেই হবে৷ তার ভিত্তিতে সবাই তাদের জবাব দিক। দেখা যাক, কোন কোন সিদ্ধান্ত একা নেওয়া হয়েছে, কোনগুলি সর্বসম্মত ভাবে৷ যদি নথিপত্র থেকে দেখা যায় যে, কোনও সিদ্ধান্ত সর্বসম্মত ভাবে নেওয়া হয়নি, তা হলে আমরা সেই সিদ্ধান্তগুলির উপরে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বলতে পারি যে, সেগুলি আইনগত ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে। কিন্তু সব সিদ্ধান্তই একতরফা নেওয়া হয়েছিল— প্রতিপক্ষের বক্তব্য না শুনেই কি এমন সিদ্ধান্ত নিতে পারি? আমরা আশা করি, তাঁরা বিষয়টি নিয়ে স্পষ্ট ও স্বচ্ছ ভাবে তাঁদের বক্তব্য জানাবেন।’