ECL-এর কয়লাখনিতে ঢুকল জল, মাটি ফুঁড়ে বেরোল গ্যাসও, ভয়ে বাড়ি ছেড়ে রাস্তায় স্থানীয়রা
কয়লা খনির মধ্যে জল ঢুকে যাওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়াল। সোমবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে অন্ডালের জামবাদ সিদুলি কোলিয়াড়ির একটি খনিতে। খনিটি ECL-এর আওতাধীন। জানা গিয়েছে, ঘটনার সময়ে খনির মধ্যে দু’জন কর্মী আটকে পড়েছিলেন। তাঁদের তড়িঘড়ি উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়। ঘটনার পরে এলাকায় মৃদু ভূমিকম্পের মতো কম্পন অনুভূত হয়। কয়েকটি জায়গায় মাটি ফুঁড়ে গ্যাস বেরোতেও দেখা যায়। এই ঘটনার জেরে এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। অনেকেই প্রাণের ভয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সঙ্গে নিয়ে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে আসেন।
সূত্রের খবর, রবিবার নাইট শিফটের ডিউটিতে কোলিয়াড়িতে কর্মীর সংখ্যা কম ছিল। রবিবার রাতে খনির মধ্যে কাজ করার সময়েই তাঁরা টের পান, খনিতে জল ঢুকছে। তড়িঘড়ি তাঁরা বাইরে বেরিয়ে আসেন। তবে, দু’জন কর্মী কোনও ভাবে খনির মধ্যে আটকে পড়েন। খবর মিলতেই শুরু হয় উদ্ধার কাজ। সোমবার সকালে দুই কর্মীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়।
জানা গিয়েছে, এই ঘটনার পরে আশেপাশের এলাকায় ভূমিকম্পের মতো মৃদু কম্পন অনুভব করেন স্থানীয়রা। একটু বেলা গড়াতেই স্থানীয় একটি ফুটবল মাঠের মাটি ফুঁড়ে গ্যাস বেরোতে দেখেন স্থানীয়রা। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরও দু’টি এলাকায় এমন ভাবে গ্যাস বেরোতে দেখা যায়। জানা গিয়েছে, যে জায়গা থেকে গ্যাস বেরোতে দেখা গিয়েছে, তার আশেপাশে ECL-এর একটি খোলামুখ খনিও রয়েছে। ঘটনায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়ায়। প্রয়োজনীয় জিনিস সঙ্গে নিয়ে প্রাণভয়ে বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসেন স্থানীয়রা।
ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কেন্দা এলাকায় কোলিয়াড়ির অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয়রা। এ বিষয়ে ECL-এর এক এজেন্ট জানান, ঘটনার সময়ে দু’জন শ্রমিক খনিতে আটকে পড়েছিলেন। তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। আপাতত তাঁদের অবস্থা স্থিতিশীল। কী ভাবে কয়লাখনিতে জল ঢুকল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। ঘটনার তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।