নন্দীগ্রামে প্রচারের পথে আটক সুকৃতি-মানিক! কংগ্রেসের প্রচার ঘিরে চরম উত্তেজনা
নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচারের আবহেই তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার সময় কংগ্রেসের দুই হেভিওয়েট নেতাকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ…
নন্দীগ্রাম: নন্দীগ্রাম বিধানসভা উপনির্বাচনের প্রচারের আবহেই তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক। নির্বাচনী প্রচারে যাওয়ার সময় কংগ্রেসের দুই হেভিওয়েট নেতাকে আটকে রাখার অভিযোগ উঠল পুলিশের বিরুদ্ধে। বুধবার পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকারের তরফে এক জরুরি প্রেস বিবৃতিতে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। কংগ্রেসের দাবি, মতুয়া সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষা আন্দোলনের অন্যতম মুখ সুকৃতি রঞ্জন বিশ্বাস এবং সম্প্রতি কংগ্রেসে যোগ দেওয়া লেখক ও সমাজকর্মী মানিক ফকিরকে চণ্ডীপুরের একটি হোটেল থেকে বেরোনোর পরেই আটক করে সোজা নন্দীগ্রাম থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের নির্বাচনী প্রচারের কাজে যুক্ত ছিলেন সুকৃতি রঞ্জন বিশ্বাস ও মানিক ফকির। সেই সূত্রেই তাঁরা চণ্ডীপুরের একটি হোটেলে ঠাঁই নিয়েছিলেন। বুধবার প্রচারের উদ্দেশ্যে হোটেল থেকে বেরোতেই পুলিশ তাঁদের পথ আটকে আটক করে।
নন্দীগ্রাম থানায় নিয়ে যাওয়ার পর সুকৃতি রঞ্জন বিশ্বাসকে ছেড়ে দেওয়া হলেও, মানিক ফকিরকে এখনও থানাসূত্রে আটকে রাখা হয়েছে বলে খবর। তবে পুলিশ ঠিক কী কারণে বা কোন নির্দিষ্ট ধারায় এই পদক্ষেপ করেছে, সে বিষয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি।
গণতন্ত্র নিয়ে প্রশ্ন
বিরোধী প্রার্থী ও প্রচারে যুক্ত নেতাদের ওপর এই ধরনের পুলিশি হেনস্থাকে সরাসরি ‘প্রতিহিংসামূলক আচরণ’ বলে দাগিয়ে দিয়েছে কংগ্রেস। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার তীব্র আক্রমণ শানিয়ে জানিয়েছেন, নির্বাচনী প্রচারে অংশ নেওয়ার অপরাধে এভাবে নেতাদের আটকে রাখা প্রমাণ করে যে বাংলার গণতান্ত্রিক পরিবেশ বর্তমানে অত্যন্ত বিপজ্জনক পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
উপনির্বাচনের আগে এই পুলিশি আটকের ঘটনায় নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক উষ্ণতা একলাফে অনেকটাই বেড়ে গেছে। এ বিষয়ে পুলিশের সুনির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া সামনে এলেই পুরো বিষয়টি আরও স্পষ্ট হবে।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা