Bigg Boss Bangla: ‘তুমি ফ্লপ হিরো, তোমার কেরিয়ার শেষ!’, কী নিয়ে ঝগড়া বাঁধে জীতু রাজবীরের মধ্যে? | Bigg boss bangla 3 rajveer dey calls jeetu kamal a flop hero in a massive fight
জীতু কমল (Jeetu Kamal) এবং রাজবীর দে-র তুমুল ঝগড়ায় কেঁপে উঠল বিগ বসের ঘর। বিগ বস মানেই চরম উত্তেজনা, বিতর্ক আর ঝগড়া। এখানে প্রতি মুহূর্তে প্রতিযোগীদের মধ্যে বন্ধুত্বের সমীকরণ বদলে যায়। সকালে যাঁদের মধ্যে খুব ভালো ভাব দেখা যায়, বিকেলেই হয়তো তাঁদের মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। বিগ বসের ঘরে কখন কী হয়, তা কখনও আগে থেকে বোঝা যায় না। এবার বিগ বস বাংলা ৩-এর ঘরেও ঠিক এমনটাই ঘটল। ক্যাপ্টেন হওয়ার টাস্ক ঘিরে জীতু এবং রাজবীরের মধ্যে রীতিমতো আগুন জ্বলে উঠল। পরিস্থিতি একেবারে হাতের বাইরে চলে গিয়েছে।
কীভাবে শুরু হল এই চরম অশান্তি?
ঘটনার আসল সূত্রপাত হয় একটি ক্যাপ্টেন্সি টাস্ক চলাকালীন। জীতু প্রথমে রাজবীরের পাশে দাঁড়িয়ে প্রতিযোগী নন্দিনীর সমালোচনা করছিলেন। রাজবীর আর নন্দিনীর মেলামেশা ও আচরণ দেখে জীতু হঠাৎ বলে বসেন, “মাথায় হাত বুলিয়ে ছেলে পটানো আমাদের দ্বারা হবে না।” এই কথা শুনে নন্দিনী প্রচণ্ড রেগে যান। তিনি জীতুকে পাল্টা আক্রমণ করে বলেন যে, জীতু নাকি জপ করে এসে সবার মধ্যে শুধু কূটকচালি করেন আর ঝগড়া লাগান। নন্দিনী আরও বলেন যে রাজবীর আসলে একজন ভীতু মানুষের সঙ্গে খেলছেন। এই কথা বলে নন্দিনী সেখান থেকে চলে যান।
কী ঘটেছে জীতু-রাজবীরের মধ্যে?
নন্দিনী সেখান থেকে চলে যাওয়ার পরই আসল ঝগড়া শুরু হয় জীতু এবং রাজবীরের মধ্যে। রাজবীর জীতুকে পরিষ্কার বলেন তাঁকে যেন অযথা উত্তেজিত না করা হয়। এরপর দু’জনের তর্ক এতটাই বেড়ে যায় যে তাঁরা একে অপরকে ‘তুই-তোকারি’ করতে শুরু করেন। জীতু কটাক্ষ করে বলেন, “তুই একা থাকতে পারিস না, তাই মেয়েকে ডাকছিস।” রাজবীরও একেবারেই ছেড়ে দেওয়ার পাত্র নন। তিনি বলেন জীতু গায়ে হাত তুলছেন বা ফিজিক্যাল হচ্ছেন। এরপর জীতু রাজবীরকে ‘খোকা’ বলে কটাক্ষ করে হাওয়া খেতে বলেন।
ঠিক তখনই পালটা রাজবীর সবচেয়ে বড় আঘাতটি করেন। তিনি রেগে গিয়ে সোজাসুজি জীতুকে বলেন, “অনেক দেখেছি তোমার মতো, তুমি ফ্লপ হিরো! তোমার কেরিয়ার তো শেষ হচ্ছে, আর আমার কেরিয়ার সবে শুরু হচ্ছে।”
রাজবীর একথাও মনে করিয়ে দেন যে, বিগ বসের এই বাড়ি সকলের, কারও একার নয়। টেলিভিশনের পর্দায় এই দৃশ্য দেখে দর্শকরাও বেশ অবাক। এই চরম অপমানের পর বিগ বসের ঘরে এই দুই প্রতিযোগীর সম্পর্ক আগামী দিনে ঠিক কোনও দিকে মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।