GMP ২৩%, হিরো মোটরসের আইপিও-র সাবস্ক্রিপশন শুরু, আপনি কী করবেন?
হিরো মোটরসের আইপিও নিয়ে বাজারে ইতিমধ্যেই বেশ আগ্রহ তৈরি হয়েছে। ১৬ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হয়েছে এই আইপিও-র সাবস্ক্রিপশন। তা চলবে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এর মধ্যেই গ্রে মার্কেটে শেয়ারের প্রিমিয়াম প্রায় ২৩%। অর্থাৎ, বর্তমান জিএমপি ধরে হিসাব করলে সম্ভাব্য লিস্টিং দর ১০৩ টাকার কাছাকাছি হতে পারে। তবে মনে রাখতে হবে, জিএমপি কোনও সরকারি বা নিশ্চিত তথ্য নয়। লিস্টিংয়ের আগে এটি দ্রুত বদলাতে পারে।
হিরো মোটরসের আইপিও
হিরো মোটরসের আইপিও-র মোট সাইজ় ১,০০০ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৬০০ কোটি টাকার নতুন শেয়ার ছাড়া হচ্ছে। আরও ৪০০ কোটি টাকার শেয়ার অফার ফর সেলের মাধ্যমে বিক্রি করবেন পুরোনো শেয়ারহোল্ডাররা। নতুন শেয়ার থেকে পাওয়া টাকা সংস্থা ঋণ কমানো এবং উত্তরপ্রদেশের গৌতম বুদ্ধ নগরের কারখানার ক্ষমতা বাড়াতে ব্যবহার করবে। বাকি টাকা ব্যবসা সম্প্রসারণ, সম্ভাব্য অধিগ্রহণ এবং অন্যান্য কর্পোরেট কাজে ব্যবহার করা হবে।
শেয়ারের প্রাইস ব্যান্ড ৭৯ থেকে ৮৪ টাকা। লট সাইজ় ১৭৮টি শেয়ার। অর্থাৎ সর্বোচ্চ দামে এক লটের জন্য প্রয়োজন হবে ১৪,৯৫২ টাকা। ২১ সেপ্টেম্বর বরাদ্দ চূড়ান্ত হওয়ার কথা। ২২ সেপ্টেম্বর ডিম্যাট অ্যাকাউন্টে শেয়ার জমা পড়তে পারে এবং ২৩ সেপ্টেম্বর এনএসই ও বিএসই-তে তালিকাভুক্তির সম্ভাবনা রয়েছে।
হিরো মোটরস কী ব্যবসা করে?
হিরো মোটরস মূলত গাড়ি ও অন্যান্য যানবাহনের জন্য পাওয়ারট্রেন এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ তৈরি করে। সংস্থার ব্যবসায় বৈদ্যুতিক ও পেট্রল-ডিজ়েল, দুই ধরনের যানবাহনের জন্যই প্রযুক্তি রয়েছে। ই-বাইক, বৈদ্যুতিক গাড়ি, হাইব্রিড গাড়ি এবং অন্যান্য যানবাহনের জন্যও তারা পণ্য তৈরি করে। বিদেশের বাজার থেকেও সংস্থার আয় আসে।
তাহলে বিনিয়োগের আগে কী দেখবেন?
শুধু ২৩% জিএমপি দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া ঠিক হবে না। সংস্থার ব্যবসা, আর্থিক ফল, ঋণের পরিমাণ, বড় কয়েকজন গ্রাহকের উপর নির্ভরতা এবং আইপিও-র মূল্যায়নও দেখা জরুরি। Anand Rathi-র তথ্য অনুযায়ী, সংস্থার ব্যবসায় বৈদ্যুতিক যানবাহনের অংশ বাড়ছে। তবে সংস্থার আয়ের বড় অংশ এখনও সীমিত সংখ্যক গ্রাহকের উপর নির্ভরশীল।