হেভিওয়েট তর্কে ইতি টেনে সঞ্চিতাকে নন্দীগ্রামের প্রার্থী করল তৃণমূল, কী তাঁর পরিচয়? - 24 Ghanta Bangla News
Home

হেভিওয়েট তর্কে ইতি টেনে সঞ্চিতাকে নন্দীগ্রামের প্রার্থী করল তৃণমূল, কী তাঁর পরিচয়?

Spread the love

কলকাতা: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু তথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর খাসতালুক নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার সন্ধ্যায় কালীঘাট থেকে…

কলকাতা: ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের রাজনৈতিক কেন্দ্রবিন্দু তথা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর খাসতালুক নন্দীগ্রামে উপনির্বাচনের জন্য প্রার্থী ঘোষণা করল তৃণমূল কংগ্রেস। রবিবার সন্ধ্যায় কালীঘাট থেকে সরাসরি নন্দীগ্রামের উপনির্বাচনী প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়। আর সমস্ত জল্পনা উড়িয়ে দিয়ে কোনো হেভিওয়েট রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বকে নয়, বরং একেবারে সাধারণ মুখের ওপরই ভরসা রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে তৃণমূলের হয়ে লড়াইয়ের ময়দানে নামছেন চাকরিহারা প্রাথমিক শিক্ষক সঞ্চিতা প্রধান দে। আগামী ৬ অক্টোবর এই হাইভোল্টেজ কেন্দ্রে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

চলতি বছরের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে তৃণমূলের পবিত্র করকে পরাজিত করে জয়ী হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। পরবর্তী সময়ে তিনি নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ায় আসনটি খালি হয়। ফলে এই হাইপ্রোফাইল কেন্দ্রে কার বিরুদ্ধে লড়বে শাসকদল, তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে তীব্র জল্পনা চলছিল। এমনকী খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই আসনে লড়তে পারেন বলেও গুঞ্জন শোনা গিয়েছিল। তবে সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তৃণমূলের তরফে ময়দানে নামানো হলো বয়াল-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বাসিন্দা, চল্লিশের কোঠার সঞ্চিতা প্রধান দে-কে।

পেশায় প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা সঞ্চিতা অতীতে স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত তিনি পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য এবং কর্মাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তবে তাঁর জীবনে বড়ো ধাক্কা আসে আদালতের নির্দেশে। ২০১৪ সালের প্রাইমারি টেট (TET) নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় কলকাতা হাইকোর্ট যখন ২৬৯ জনের চাকরি বরখাস্ত ও বেতন বন্ধের নির্দেশ দেয়, সেই কোপে পড়ে শিক্ষিকার চাকরি হারিয়েছিলেন সঞ্চিতা। তিনি প্রথমে নন্দীগ্রাম দু’নবরের নরসিংহপুর বোর্ড প্রাথমিক বিদ্যালয়ে যোগ দিলেও পরবর্তী সময়ে উত্তর বয়াল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত ছিলেন। আদালতের রায়ে চাকরি যাওয়ার পর বর্তমানে তিনি তমলুকে বসবাস করছেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চাকরিহারা কোনো শিক্ষককে নন্দীগ্রামের মতো রাজনৈতিকভাবে সংবেদনশীল ও হাইপ্রোফাইল কেন্দ্রে প্রার্থী করে একাধারে যেমন প্রতিপক্ষ শিবিরকে রাজনৈতিকভাবে বার্তা দিতে চাইছে শাসকদল, তেমনই সাধারণ মানুষের সহানুভূতি কুড়ানোরও একটি সুচতুর কৌশল নিয়েছেন ঘাসফুল শিবিরের শীর্ষ নেতৃত্ব। শুভেন্দুর গড়ে এই নতুন মুখ কতটা লড়াই জমাতে পারে, এখন সেটাই দেখার।

Advertisements


   


   

মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?

জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *