বিহারের ভুয়ো সার্টিফিকেটে বাংলায় ডাক্তারির রেজিস্ট্রেশন!
অভিযোগকারী এপিএইচএন–এর সম্পাদক চিকিৎসক রাজীব পাণ্ডে বলেন, ‘তথ্যপ্রমাণ সংগ্রহ করতে গিয়ে দেখলাম, পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলে রেজিস্ট্রেশনের আবেদন করতে গিয়ে ওই দু’জনই বিহার মেডিক্যাল কাউন্সিলের ২০০৭-এর অভিন্ন রেজিস্ট্রেশন নম্বর ৩৬৪৪২ ব্যবহার করেছেন! আদতে ওই নম্বরটি বিহার মেডিক্যাল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার সহজানন্দ প্রসাদ সিংয়ের চিকিৎসক পুত্রবধূ বন্দনা শর্মার।’ রাজীব বিস্মিত, কী ভাবে এ রকম ভুয়ো নথি যাচাই না করেই দু’জনকে পাকাপাকি রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিল পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিল! তাঁর সন্দেহ, এই অনিয়ম নিছক অসাবধানতা নয়, বরং ইচ্ছাকৃতই। আর্থিক লেনদেনের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
এক স্বাস্থ্য আধিকারিক বলেন, ‘পুরোটা তদন্তের মধ্যে রয়েছে। আর্থিক লেনদেনের বিষয়েও তদন্ত হচ্ছে।’ স্বাস্থ্য ভবন সূত্রের খবর, এপিএইচএন যখন সায়দুল ও জ়ুলফিকারের বিহারের রেজিস্ট্রেশন সম্পর্কে খোঁজখবর নিতে যোগাযোগ করে বিহার কাউন্সিল অফ মেডিক্যাল রেজিস্ট্রশন দপ্তরে, তখন তারা সাফ জানিয়ে দেয়, সায়দুল ও জ়ুলফিকারের পেশ করা রেজিস্ট্রেশ সার্টফিকেট সম্পূর্ণ জাল। এ নিয়ে এপিএইচএন-কে জবাবি ই-মেল করার পাশাপাশি বিহার মেডিক্যাল কাউন্সিল থেকে অভিযোগ জানিয়ে ই-মেল করা হয় পশ্চিমবঙ্গ মেডিক্যাল কাউন্সিলেও।