‘কাঞ্চন আমায় ভীষণ তাড়া দিচ্ছে’, কেন দম ফেলার ফুরসৎ নেই শ্রীময়ীর? – Bengali News | Kanchan mallick and sreemoyee chattoraj celebrate dol purnima in this way
সদ্য বিয়ে হয়েছে শ্রীময়ী চট্টরাজের। সবে পার হয়েছে এক মাস। তাতে কী? নতুন বউয়ের হাতে এখন অনেক দায়িত্ব। দম ফেলার ফুরসৎ নেই শ্রীময়ীর। দোলের আগের দিন বাড়িতে সত্য নারায়ণ পুজোর আয়োজন করা হয়েছে তাঁর। শ্বশুরবাড়িতে যতই কাজ থাকুক না কেন, এদিকের দায়িত্বও কিন্তু পুরোদমে পালন করছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করা এক ভিডিয়োতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আজ আমাদের বাড়িতে সত্য নারায়ণ পুজো। আমি এখন বাপের বাড়িতে। কিন্তু কাঞ্চন খুব তাড়া দিচ্ছে। আসলে ওই বাড়িতেও পুজো আছে কিনা।” দুই বাড়িই সামলাতে হচ্ছে তাঁকে। কটাক্ষের বেড়াজাল কাটিয়ে দক্ষ হাতে সামলাচ্ছেন সবই। তবে সমালোচনা কিন্তু এখনও তাঁর পিছু ছাড়েনি। মাঝেমধ্যেই কটাক্ষের শিকার হতে হচ্ছে শ্রীময়ীকে। বাদ যাচ্ছেন না কাঞ্চনও। ইনস্টাগ্রামে কমেন্ট সেকশন সাধারণের জন্য বন্ধ করে রাখলেও শেয়ার ভিডিয়োতে হচ্ছে কটাক্ষ।
কাঞ্চন-শ্রীময়ীয়ের আইনি বিয়ে হয়েছে গত ১৪ ফেব্রুয়ারি। ২ মার্চ সামাজিক বিয়ে সেরেছেন তাঁরা। বিয়ের পর থেকেই হইচই সব জায়গায়। কটাক্ষের মুখে পড়েছেন কাঞ্চন। কটাক্ষের কারণ এক: আগের দুই স্ত্রীকে ডিভোর্স দিয়ে তিন নম্বর বিয়ে করেছেন কাঞ্চন। কটাক্ষের কারণ দুই: শ্রীময়ীর সঙ্গে কাঞ্চনের বয়সের ব্যবধান ২৬ বছর। কাঞ্চনের বয়স ৫৩, শ্রীময়ীর ২৬। কটাক্ষের কারণ তিন: তাঁর চেহারার গড়ন!

শ্রীময়ীর বাড়িতে পুজোর আয়োজন
এসব নিয়ে কাঞ্চন মুখ খুলেছেন TV9 বাংলার সামনে। বলেছেন, “যে মানুষ অসময় কিংবা দুঃসময় পাশে থাকে তার প্রতিই বিশ্বাস এবং ভরসা জন্মায়।” অন্যদিকে তাঁদের রিসেপশনের দিন কলকাতার বিলাসবহুল হোটেলে লাগানো প্ল্যাকার্ড নিয়েও কম আলোচনা হয়নি। তবে সে সব কাটিয়ে আপাতত দোল পূর্ণিমার উদযাপনে মেতে উঠেছেন নববধূ শ্রীময়ী চট্টরাজ।