Samsung-Google-এর পর iPhone 18 Pro-এর দামও বাড়াতে পারে Apple - 24 Ghanta Bangla News
Home

Samsung-Google-এর পর iPhone 18 Pro-এর দামও বাড়াতে পারে Apple

Spread the love

কলকাতা: অ্যাপলের (Apple) পরবর্তী প্রজন্মের আইফোন বাজারে আসার আগেই দাম বৃদ্ধি নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী মাসে আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স-এর…

কলকাতা: অ্যাপলের (Apple) পরবর্তী প্রজন্মের আইফোন বাজারে আসার আগেই দাম বৃদ্ধি নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে। আগামী মাসে আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স-এর দাম আগের মডেলের তুলনায় বাড়তে পারে বলে রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে। অ্যাপলের প্রথম বইয়ের মতো ভাঁজ করা আইফোনও একই সময়ে আত্মপ্রকাশ করতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে।

ব্লুমবার্গের সাংবাদিক মার্ক গারম্যান তাঁর সাপ্তাহিক নিউজলেটার ‘পাওয়ার অন’-এর সাম্প্রতিক সংস্করণে দাবি করেছেন, অ্যাপল আগামী মাসে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজের দাম বাড়ানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। নতুন ফোনগুলির দাম তাদের পূর্বসূরি আইফোন ১৭ প্রো এবং আইফোন ১৭ প্রো ম্যাক্স-এর তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে।

অ্যাপল এখনও আইফোন ১৮ সিরিজের দাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি। ফলে গারম্যানের রিপোর্টে উল্লেখ করা সম্ভাব্য দামকে আপাতত নিশ্চিত তথ্য হিসেবে দেখা যাচ্ছে না।

অ্যাপলের দাম বাড়ানোর পরিকল্পনার পিছনে একাধিক কারণ রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রিপোর্ট অনুযায়ী, সংস্থা নজর রাখছে প্রতিদ্বন্দ্বী স্যামসাং এবং গুগল তাদের সাম্প্রতিক ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোনের দাম কতটা বাড়িয়েছে এবং ক্রমবর্ধমান মেমোরি ও স্টোরেজ উপাদানের খরচ কীভাবে সামলেছে তার উপর।

স্যামসাং এবং গুগল সম্প্রতি তাদের ফ্ল্যাগশিপ ফোনের দাম ১০০ ডলার, অর্থাৎ প্রায় ১০,০০০ টাকা বাড়িয়েছে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে। সেই দিক থেকে অ্যাপলও তাদের প্রিমিয়াম আইফোনের দাম একই পরিমাণ বাড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

যদি সেই হিসাব কার্যকর হয়, তাহলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে আইফোন ১৮ প্রো-এর প্রারম্ভিক দাম হতে পারে ১,১৯৯ ডলার, যা ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১,১৫,০০০ টাকা। এই দাম কার্যকর হলে আইফোন ১৭ প্রো-এর তুলনায় প্রায় ৯ শতাংশ দাম বাড়বে।

তবে গারম্যানের রিপোর্টে এই দাম বৃদ্ধিকে মেমোরি ও স্টোরেজের খরচ বৃদ্ধির তুলনায় তুলনামূলকভাবে ‘মাঝারি’ বৃদ্ধি হিসেবে দেখানো হয়েছে। বিশেষ করে ডিআরএএম এবং ন্যান্ড মেমোরির দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাওয়ায় স্মার্টফোন নির্মাতাদের উপর উপাদান খরচের চাপ তৈরি হয়েছে।

অ্যাপলের ক্ষেত্রে এই অতিরিক্ত খরচ সরাসরি ক্রেতাদের উপর চাপানো হবে কি না, তা নিয়ে আগে থেকেই জল্পনা ছিল। সংস্থা চাইলে অতিরিক্ত উৎপাদন খরচের একটি অংশ নিজেরা বহন করতে পারে। কিন্তু তাতে মুনাফার উপর চাপ পড়তে পারে। আবার দাম বাড়ালে সেই অতিরিক্ত খরচের একটি অংশ ক্রেতাদের কাছ থেকে পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হবে।

অ্যাপল যদি আইফোন ১৮ প্রো-এর দাম ১০০ ডলার বাড়ায়, তাহলে স্যামসাংয়ের আল্ট্রা সিরিজ এবং গুগলের প্রো মডেলের সঙ্গে দামের দিক থেকে প্রতিযোগিতা বজায় রাখাও সম্ভব হবে বলে রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে।

শুধু মার্কিন বাজারেই নয়, অন্যান্য বাজারেও একই ধরনের দাম বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। এর মধ্যে ভারতও রয়েছে। সাম্প্রতিক একটি রিপোর্টে দাবি করা হয়েছিল, ভারতে আইফোন ১৮ প্রো-এর দাম আগের মডেলের তুলনায় প্রায় ১০,০০০ টাকা বেশি হতে পারে।

তবে আইফোন ১৮ প্রো সিরিজই একমাত্র মডেল নয়, যার দাম বাড়তে পারে। রিপোর্ট অনুযায়ী, আইফোন ১৭, আইফোন এয়ার এবং আইফোন ১৭ই-এর দামও বাড়ানোর কথা বিবেচনা করতে পারে অ্যাপল। যদিও এই মডেলগুলির ক্ষেত্রে সম্ভাব্য দাম বৃদ্ধির পরিমাণ এখনও জানা যায়নি।

অ্যাপলের পক্ষ থেকে এখনও আইফোন ১৮ সিরিজের দাম বা দাম বৃদ্ধির বিষয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে নতুন ফোনগুলির চূড়ান্ত দাম জানতে অ্যাপলের লঞ্চ ইভেন্ট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে।

এদিকে আগামী মাসের আইফোন লঞ্চে শুধু নতুন প্রজন্মের প্রো মডেল নয়, অ্যাপলের প্রথম বইয়ের মতো ভাঁজ করা আইফোন-ও আত্মপ্রকাশ করতে পারে বলে জল্পনা রয়েছে। এর পাশাপাশি নতুন অ্যাপল ওয়াচ এবং এয়ারপডস মডেলও দেখা যেতে পারে।

যদি আইফোন ১৮ প্রো-এর দাম সত্যিই ১,১৯৯ ডলার থেকে শুরু হয়, তাহলে অ্যাপলের প্রিমিয়াম স্মার্টফোনের দাম আরও এক ধাপ বাড়বে। মেমোরি ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ উপাদানের ক্রমবর্ধমান খরচের মধ্যে অ্যাপল কতটা বাড়তি খরচ নিজেরা বহন করবে এবং কতটা ক্রেতাদের উপর চাপাবে, সেটিই এখন নজরে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *