অনুমতি ছাড়া উর্দু স্কুলে ঢুকে শিক্ষিকাদের হুমকি! মহারাষ্ট্রে দিপকের নামে মামলা
মুম্বই: মহারাষ্ট্রের লাতুর জেলায় বিপাকে আরশোলা প্রধান দিপকে (Abhijeet Dipke)। একটি সরকারি উর্দু স্কুলে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ এবং শিক্ষিকাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ‘ককরেচ জনতা পার্টি’…
মুম্বই: মহারাষ্ট্রের লাতুর জেলায় বিপাকে আরশোলা প্রধান দিপকে (Abhijeet Dipke)। একটি সরকারি উর্দু স্কুলে অনুমতি ছাড়া প্রবেশ এবং শিক্ষিকাদের হুমকি দেওয়ার অভিযোগে ‘ককরেচ জনতা পার্টি’ বা CJP-এর প্রধান অভিজিৎ দিপকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে।
আউসা থানায় এই এফআইআর দায়ের করেছেন জাভালি এলাকার জেলা পরিষদ উর্দু স্কুলের শিক্ষিকা সৈয়দ শামশাদবানো খাইরাতালি। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে। পুলিশ ইতিমধ্যে অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করেছে।
ঘটনার সূত্রপাত CJP-এর ‘স্কুল ঠিক করো’ অভিযানে। (Abhijeet Dipke)সরকারি স্কুলগুলির পরিকাঠামো, পড়াশোনার পরিবেশ এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থার বাস্তব পরিস্থিতি খতিয়ে দেখার দাবি নিয়ে এই কর্মসূচি চালাচ্ছে দলটি। সেই কর্মসূচির অংশ হিসেবেই অভিজিৎ দিপকে এবং তাঁর কয়েকজন সহযোগী লাতুরের জাভালি এলাকার ওই সরকারি উর্দু স্কুলে যান। কিন্তু স্কুল কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, আগে থেকে কোনও অনুমতি না নিয়েই তাঁরা স্কুল চত্বরে প্রবেশ করেন।
আরও দেখুনঃ ভারতকে শায়েস্তা করতে বাংলাদেশে ISI র ভীত শক্ত করার বিতর্কিত বিবৃতি BNP পন্থী বিশ্লেষকের
এফআইআরে অভিযোগ করা হয়েছে, দিপকে ও তাঁর সহযোগীরা স্কুলে ঢুকে সরাসরি শ্রেণিকক্ষে চলে যান। সেখানে পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁদের বিভিন্ন প্রশ্ন করেন। শিক্ষিকার অভিযোগ, এইভাবে ক্লাস চলাকালীন স্কুলে প্রবেশ করায় পড়াশোনার স্বাভাবিক পরিবেশ ব্যাহত হয়। একইসঙ্গে সরকারি কর্মীদের নিয়মিত কাজেও বাধা তৈরি হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ভিডিও রেকর্ডিং। (Abhijeet Dipke)স্কুলের ভিতরে ভিডিও করা হয় এবং পরে সেই ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ। অভিজিৎ দিপকের পক্ষ থেকে স্কুলের পড়ুয়াদের উপস্থিতি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ ছিল, স্কুলে পড়ুয়াদের উপস্থিতির সংখ্যা বেশি দেখানোর জন্য অন্য স্কুল থেকে শিশুদের এনে বসিয়ে রাখা হয়েছে। এই অভিযোগকে ঘিরেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসে বলে জানা গিয়েছে।
আরও দেখুনঃ শাস্তি হবেই! লাহোরে থাকা পহেলগাঁও মৃত্যুমিছিলের ভিলেন হাফিজ সাঈদকে শমন পাঠাচ্ছে মোদী সরকার
অন্যদিকে স্কুল কর্তৃপক্ষ এই অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তাঁদের দাবি, স্কুল সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে এবং সামাজিক মাধ্যমে ভিডিও ছড়িয়ে দিয়ে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। শিক্ষিকার অভিযোগ অনুযায়ী, বিষয়টি শুধু স্কুলের সমালোচনায় সীমাবদ্ধ ছিল না, বরং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের কাজের ক্ষেত্রেও চাপ তৈরি করা হয়েছিল।
এফআইআরে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, (Abhijeet Dipke)অভিজিৎ দিপকে স্কুলের শিক্ষিকাদের চাকরি থেকে সাসপেন্ড বা বরখাস্ত করার হুমকি দিয়েছিলেন। সরকারি স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বিরুদ্ধে এ ধরনের হুমকি তাঁদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি করে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগগুলির সত্যতা তদন্তের মাধ্যমেই নিশ্চিত হবে।