বঙ্গবন্ধুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে ফেসবুক পোস্ট, ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চাকরি হারালেন লেকচারার, বাংলাদেশে চাঞ্চল্য
FAQ
১. সোহেলী আক্তার কে?
তিনি বাংলাদেশের নন্দনগাছী মহাবিদ্যালয়ের গার্হস্থ্য অর্থনীতির লেকচারার।
২. কী পোস্ট করেছিলেন সোহেলী আক্তার?
১৫ অগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি-সহ একটি ফটোকার্ড পোস্ট করেন তিনি। সেখানে লেখা ছিল, ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের মৃত্যুবার্ষিকীতে গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি’। ক্যাপশনে লিখেছিলেন, ‘বিনম্র শ্রদ্ধা’।
৩. কেন তাঁকে সাময়িক বরখাস্ত করা হল?
কলেজ কর্তৃপক্ষের দাবি, নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগের নেতা শেখ মুজিবুর রহমানকে নিয়ে ওই ধরনের পোস্ট ‘রাষ্ট্রবিরোধী’। পোস্টটি ঘিরে ছাত্র সংগঠনের বিক্ষোভের পর ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
৪. তাঁর বিরুদ্ধে কি কোনও শোকজ় নোটিশ দেওয়া হয়েছিল?
না। কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি নিজেই জানিয়েছেন, সাময়িক বরখাস্তের আগে সোহেলী আক্তারকে কোনও কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়নি।
৫. সোহেলী আক্তারের বক্তব্য কী?
তিনি জানিয়েছেন, কেন তাঁকে বরখাস্ত করা হচ্ছে, তা তিনি জানেন না। এমনকি আনুষ্ঠানিক ভাবে বরখাস্তের খবরও তাঁকে দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেছেন তিনি।
৬. কারা তাঁর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেছিল?
নন্দনগাছী কলেজ ছাত্রদল বিক্ষোভের ডাক দেয়। সংগঠনের নেতারা সোহেলীকে স্থায়ী ভাবে বহিষ্কার এবং তাঁর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
৭. কলেজ কর্তৃপক্ষের বক্তব্য কী?
অধ্যক্ষ ওয়াহেদুল ইসলাম এবং গভর্নিং বডির সভাপতি সাইফুল ইসলামের বক্তব্য, কলেজের শৃঙ্খলা বজায় রাখতেই সাময়িক বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৮. বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন কোথায়?
মূল প্রশ্ন হল, অভিযোগের বিষয়ে শিক্ষিকার বক্তব্য জানার সুযোগ না দিয়ে এবং কোনও শোকজ় নোটিশ না দিয়েই কী ভাবে তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হল। কলেজ কর্তৃপক্ষও শোকজ় না দেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করেছে।