‘ক্ষুদিরামকে চার লাইনে শেষ করলে হবে না’, শিক্ষা দপ্তরকে নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর, মোহবনিকেও দিলেন…
শিক্ষা দপ্তরকেও মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, ‘সিলেবাসে চার লাইনেই ক্ষুদিরাম বসুকে শেষ করলে হবে না। আরও বেশি করে জানাতে হবে। একেবারে প্রাথমিক স্তর থেকে পড়ানো হোক। বিশ্ববিদ্যালয় স্তর পর্যন্ত পড়ানো হোক। ক্ষুদিরামের হার না মানা লড়াই, বন্দে মাতরম গাইতে গাইতে ব্রিটিশদের ফাঁসির দড়ি গলায় নেওয়া— এ সব সকলের জানা দরকার।’ ়়
বিগত কয়েক দশকে কেশপুর এবং নির্বাচনী সন্ত্রাস কার্যত সমার্থক হয়ে গিয়েছে। পালাবদলে সেই ছবি বদলানো দরকার বলেও বার্তা দিয়েছেন মুুখ্যমন্ত্রী। বলেছেন, ‘কেশপুর বোমা-গুলির সন্ত্রাস, মিথ্যা মামলা, একদলীয় ব্যবস্থা, কাটমানি, পঞ্চায়েতে লুট— এ সব বন্ধ করতে হবে। কেশপুর মানে ক্ষুদিরাম বসুর কেশপুর। প্রত্যেকের বাড়িতে শৌচালয় থাকবে। গরিব মানুষ প্রধানমন্ত্রী আবাস পাবেন। গরিবের বাড়িতে সোলার প্যানেল থাকবে। ভালো ভালো বিদ্যালয়, কলেজ, হাসপাতাল তৈরি হবে। রাস্তাঘাট চক চক করবে। সবাই আয়ুষ্মান ভারত পাবে। আমি এই কেশপুুর চাই।’
পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপারের উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সময়ে এই কেশপুরে আমায় সভা করতে বাধা দিয়েছিল। মানুষ আসেনি। আমি এসেছি। এসপি-কে বলব, ওই মামলাটা আপনি বের করবেন। যারা জড়িত ছিল, তাদের জেলে দেখতে চাই।’