উদ্ধার প্রায় ১০ কেজি রুপো, গ্রেপ্তার কারবারি
এই সময়, মেদিনীপুর: পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা পুলিশের অভিযানে উদ্ধার হলো প্রায় ১০ কেজি রুপো। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে ঘাটাল ও দাসপুর থানা যৌথ অভিযান চালিয়ে এই বিপুল পরিমাণ রুপো উদ্ধার করেছে। সেই সঙ্গে আশিস সিংহ রায় ওরফে রাকেশ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের ধারণা, বিভিন্ন এলাকা থেকে চুরি যাওয়া রুপোর গয়না কম দামে কিনে তা গলিয়ে নতুন গয়না তৈরি করে অন্যত্র সরবরাহ করা হতো।
বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে এই তথ্য জানিয়ে পশ্চিম মেদিনীপুরের পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, ‘গোপন সূত্রের ভিত্তিতেই এই সাফল্য মিলেছে। বিক্রি করা হতো, সেই সব দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি এই কারবারে বেআইনি অর্থ বিনিয়োগ বা অন্য কোনও অপরাধচক্রের যোগ রয়েছে কি না, তাও তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।’
কয়েক দিন আগে দাসপুর থানা এলাকাতেই গোরু পাচার আটকাতে পুলিশের সাম্প্রতিক ৪ অগস্ট একটি গাড়ি থেকে ৯টি গোরু উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন জেলা থেকে গোরু সংগ্রহ করে পাচারের চেষ্টা চলছিল। এই চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে। গোরু পাচারের বিরুদ্ধে
এ ছাড়া নারায়ণগড় ব্লকের হোটেলে অভিযান চালিয়ে যৌ চালানোর অভিযোগে একাধিক পুরুষকে আটক ও গ্রেপ্তার ক পুলিশ। গ্রেপ্তার হয়েছেন হোে মালিকও। পুলিশ সুপার ক ‘হোটেল থেকে একাধিক গুরু জিনিস উদ্ধার হয়েছে।’ এই ঘটনার পরে জেলার হোটেল মালিকদের নিয়ে করা হবে। হোটেলের রেজি অতিথিদের পরিচয়পত্র যাচাই নিয়ম মেনে ঘর ভাড়া দেওয়া কি না, তা কঠোরভাবে খতিয়ে হবে। নারীপাচার, নারী নির্যা বিরুদ্ধে জেলা পুলিশের টলারেন্স’ অবস্থান নিয়েও স্পষ্ট দিয়েছেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত কয়েক দিনে জেলায় চুরি ও ছিনতাইয়ের একাধিক ঘটনা ঘটেছে। মেদিনীপুর ও ডেবরায় দুই প্রবীণের কাছ থেকে কৌশলে সোনার গয়না ছিনিয়ে নেওয়ার ঘটনায় পুলিশ ইতিমধ্যেই তিন সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করেছে। পুলিশ সুপারের দাবি, শিগগিরই তাদের গ্রেপ্তার করা হবে।