সংস্কৃতিকে হাতিয়ার করে পর্যটনে জোর, নতুন অর্থনীতির পথে পশ্চিমবঙ্গ - 24 Ghanta Bangla News
Home

সংস্কৃতিকে হাতিয়ার করে পর্যটনে জোর, নতুন অর্থনীতির পথে পশ্চিমবঙ্গ

Spread the love

সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক সম্পদকে কাজে লাগিয়ে টেকসই পর্যটন অর্থনীতি গড়তে উদ্যোগী পশ্চিমবঙ্গ সরকার। কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনীতিতেও জোর দেওয়া হচ্ছে।

কলকাতা: শুধু দর্শনীয় স্থান নয়, এবার সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও আধ্যাত্মিক সম্পদকে কাজে লাগিয়েই পর্যটন শিল্পকে (West Bengal Tourism) আরও শক্তিশালী করতে চায় পশ্চিমবঙ্গ সরকার। টেকসই পর্যটন অর্থনীতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করার ওপর জোর দিচ্ছে।

মৈত্রী কালচারাল ইকোনমি সমিতি (MCES) পশ্চিমবঙ্গ সম্মেলন ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এই কথা বলেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ। সংস্কৃতি মন্ত্রকের সহযোগিতায় আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলার ঐতিহ্যই ভবিষ্যতের অর্থনৈতিক বিকাশের অন্যতম চালিকাশক্তি হতে পারে।

‘বাংলা সংস্কৃতির সোনার খনি’

শঙ্কর ঘোষ বলেন, দুর্গাপুজোকে UNESCO-র ‘ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ’ হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া বাংলার সাংস্কৃতিক শক্তিরই প্রমাণ। তাঁর কথায়, “বাংলা সংস্কৃতির এক সোনার খনি। রাজ্যের প্রতিটি ঐতিহ্য অর্থনীতির সঙ্গে যুক্ত। শিল্প, সংস্কৃতি ও পর্যটন একে অপরের পরিপূরক। আমাদের লক্ষ্য এই সমৃদ্ধ ঐতিহ্যকে উন্নয়ন ও জীবিকার সঙ্গে যুক্ত করা।” তিনি আরও বলেন, মৈত্রী পরিবার যে উদ্যোগ নিয়েছে, তা পশ্চিমবঙ্গের পর্যটন শিল্পে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে।

sankar ghosh
রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ

সংস্কৃতিকে ঘিরে টেকসই পর্যটনের পরিকল্পনা

পর্যটন দফতরের মতে, বাংলার বিভিন্ন ধর্মীয়, সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে কেন্দ্র করে পর্যটনের নতুন ক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব। এর ফলে শুধু পর্যটকই বাড়বে না, স্থানীয় শিল্পী, কারুশিল্পী ও ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরাও সরাসরি উপকৃত হবেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, হেরিটেজ ট্যুরিজম, কালচারাল ট্যুরিজম এবং স্পিরিচুয়াল ট্যুরিজম-এর মাধ্যমে রাজ্যের অর্থনীতিতে নতুন গতি আসতে পারে।

মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা

সম্মেলনে পাঠানো বার্তায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ যখন পরিবর্তন ও অগ্রগতির নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করছে, তখন এ ধরনের উদ্যোগ উন্নয়নের নতুন দিশা দেখায়। আমি বিশ্বাস করি, এই সম্মেলন রাজ্যজুড়ে সাংস্কৃতিক সচেতনতা, অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের নতুন জোয়ার আনবে।”

সংস্কৃতি ও অর্থনীতির মেলবন্ধনে জোর

রাজ্য সরকারের লক্ষ্য, বাংলার সমৃদ্ধ সংস্কৃতি, লোকশিল্প, উৎসব, সাহিত্য ও ঐতিহাসিক ঐতিহ্যকে আরও বৃহত্তর পর্যটন পরিকাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করে একটি টেকসই পর্যটন অর্থনীতি গড়ে তোলা। এতে যেমন রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিচিতি বিশ্বমঞ্চে আরও উজ্জ্বল হবে, তেমনই কর্মসংস্থান ও স্থানীয় অর্থনীতিও শক্তিশালী হবে।

Also Read | সন্ত্রাসবাদ অর্থায়নে ফের নজরে বাংলা! কালিকাপুরের মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার ৪০লক্ষ নগদ-১৮০ গ্রামের সোনার মুদ্রা

Also Read |  পরের স্টেশন মোহনবাগান! মাঠের গণ্ডি ছাড়িয়ে মেট্রোর মানচিত্রে শতাব্দীপ্রাচীন ক্লাব

Also Read | কংগ্রেসের কারণে কলকাতা ছাড়েন তসলিমা! বিস্ফোরক তৎকালীন শরিক সিপিএম নেতা

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *