Calcutta High Court: বিরোধী দলনেতা মামলায় সোমনাথকে টেনে আনলেন কল্যাণ, কী হল হাইকোর্টে? | Calcutta High Court Hears LoP Case, Kalyan Banerjee Praises Somnath Chatterjee
বিধানসভার বিরোধী দলনেতা নিয়ে হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চে শুনানিImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: বিধানসভার বিরোধী দলনেতা মামলায় কলকাতা হাইকোর্টে এবার উঠে এল লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের নাম। আর তাঁর নাম টেনে আনলেন কালীঘাট তৃণমূলের আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শুক্রবার মামলার শুনানিতে সোমনাথের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করলেন কল্যাণ। অন্যদিকে, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়কে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেওয়ার কারণ নিয়ে যুক্তি দিলেন বিধানসভার অধ্যক্ষের আইনজীবী।
বিরোধী দলনেতা মামলায় এদিন শুনানিতে কী হল?
বিচারপতি শম্পা সরকার ও বিচারপতি অজয়কুমার গুপ্তর ডিভিশন বেঞ্চে এদিন মামলার শুনানি হয়। শুনানিতে বিধানসভার অধ্যক্ষ রথীন্দ্রনাথ বসুর আইনজীবী বলেন, “৫৮ জন বিধায়ক স্বাক্ষর করে তাঁদের বিরোধী দলনেতার নাম প্রস্তাব করেছিলেন। সেটা মানা ছাড়া অধ্যক্ষের কাছে কোনও পথ নেই।” তখন ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, “এক পক্ষ ক্ষমতাবান আরেক পক্ষ ক্ষমতাহীন, কিন্তু তারা একই দলের। এই অবস্থায় স্পিকার আর কী করতে পারে?” মামলা নিয়ে ডিভিশন বেঞ্চ জানায়, “এটা বিধানসভার ডিবেট সংক্রান্ত বিষয় নয়। তাই এই সিদ্ধান্তে আদালতের হস্তক্ষেপ করার জায়গা আছে।”
এদিন মামলার শুনানিতে বিধানসভার বর্তমান স্পিকারের সিদ্ধান্তের সম্পর্কে বলতে গিয়ে লোকসভার প্রাক্তন অধ্যক্ষ সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের প্রশংসা করেন তৃণমূল সাংসদ তথা আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রয়াত বাম নেতাকে টেনে এনে তিনি বলেন, “নিরপেক্ষতা কাকে বলে, তা সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে দেখে শেখা উচিত।” বিরোধী দলনেতা নিয়ে স্পিকারের সিদ্ধান্ত খারিজের দাবি জানান তিনি। মামলার শুনানি শেষ হয়েছে। রায়দান মুলতুবি রেখেছে হাইকোর্ট।
প্রসঙ্গত, ঋতব্রতকে বিধানসভার বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি দেওয়া নিয়ে অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে মামলা করেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। তবে বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতি নিয়ে অধ্যক্ষের সিদ্ধান্তই বহাল রেখেছিল হাইকোর্টের সিঙ্গল বেঞ্চ। ঋতব্রতকে বিরোধী দলনেতা নিযুক্ত করার সিদ্ধান্তে স্থগিতাদেশ দেননি বিচারপতি কৃষ্ণা রাও। সিঙ্গল বেঞ্চের সেই সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করেই ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হন শোভনদেব। সেই মামলারই এদিন শুনানি হল। এখন সিঙ্গল বেঞ্চের সিদ্ধান্ত ডিভিশন বেঞ্চ বহাল রাখে কি না, সেটাই এখন দেখার।