তোলাবাজির নয়া কেসে ফের হাজতে দেবরাজ
সরকারি আইনজীবী এ দিন আদালতে দাবি করেন, দেবরাজ রাজনৈতিক ভাবে অত্যন্ত প্রভাবশালী হওয়ায় এত দিন তাঁর ভয়ে কেউ মুখ খোলার সাহস পাননি। কিন্তু গ্রেপ্তার হওয়ার পরে পরিস্থিতি বদলেছে। এখন একাধিক ভুক্তভোগী পুলিশের কাছে এসে মুখ খুলতে শুরু করেছেন। মামলার বিবরণ দিতে গিয়ে সরকারি আইনজীবী আরও জানান, নিজের নামে থাকা একটি কনস্ট্রাকশন কোম্পানির আবাসন থেকে ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে ভয় দেখিয়ে এক কোটি টাকা নিয়েছিলেন দেবরাজ। ১ কোটি ৩০ লক্ষ টাকার একটি মৌখিক চুক্তি হলেও কোনও লিখিত নথি তৈরি করা হয়নি। ব্যবসায়ীকে ফ্ল্যাটও দেওয়া হয়নি। দেবরাজের রাজনৈতিক প্রভাবের ভয়ে এতদিন ওই ব্যবসায়ী চুপ করে থাকলেও, সম্প্রতি তিনি পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন এবং আদালতে তাঁর গোপন জবানবন্দিও নথিভুক্ত করা হয়েছে। বিভাস বলেন, ‘৫০০ গ্রামের বেশি সোনা উদ্ধার এবং সাড়ে আট কোটি টাকার সম্পত্তি হস্তান্তরের হিসেব–সহ একাধিক ভুক্তভোগী যে ভাবে সামনে আসছেন, তা সংগঠিত অপরাধের বড় প্রমাণ। তদন্তের স্বার্থেই ফের পুলিশি হেফাজতের আবেদন করা হয়েছিল। বিচারক সব দিক বিবেচনা করে ছ’দিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর করেছেন।’