সোনমের সঙ্গে বাম বৈঠক! মোদী সরকার নাড়াতে চিনের সঙ্গে আতাঁত-যন্তর মন্তর অপারেশন?
নয়াদিল্লি: সংসদের গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের ঠিক আগেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য (Sonam Wangchuk)। সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে বাম নেতাদের সঙ্গে চিনা কর্মকর্তা ও সিজেপির গোপন বৈঠক…
নয়াদিল্লি: সংসদের গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশনের ঠিক আগেই সামনে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য (Sonam Wangchuk)। সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে বাম নেতাদের সঙ্গে চিনা কর্মকর্তা ও সিজেপির গোপন বৈঠক হয়েছিল যেখানে সোনম ওয়াংচুককেও দেখা গিয়েছে।
অভিযোগ সামনে আসায় রাজনৈতিক মহলে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। কিছু ভিডিও ও ছবিতে দেখা গেছে বাম নেতারা যন্তর মন্তরে সিজেপির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। এই বৈঠকের ছবি সামনে আসার পরই রাজনৈতিক মহলে ছড়িয়েছে চাঞ্চল্য। অনেকেই মন্তব্য করেছেন ভারত সরকারকে প্যাঁচে ফেলতেই সিজেপিকে সামনে রেখে চিনের এই পরিকল্পনা।
এই সময়কাল এবং যোগাযোগ নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে ভারতীয় রাজনীতিতে চিন-সিজেপি-বাম নেটওয়ার্কের গভীরতা কতটা? সমালোচকরা বিদেশি হস্তক্ষেপের অভিযোগ তুলে পূর্ণ তদন্ত ও প্রকাশ্য প্রকাশ দাবি করছেন।অভিযোগ উঠেছে, সংসদ অধিবেশন শুরুর ঠিক আগে বাম নেতারা চিনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। একই সময়ে সিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে তাঁদের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগের ছবি ও ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।
আরও দেখুনঃ ফের সফল মোদী! দেশে অনুমোদন পেল ১,২৭৫০০ কোটির সেমিকন্ডাক্টর হাব
যন্তর মন্তরে অনুষ্ঠিত কোনো কর্মসূচিতে বাম নেতাদের সঙ্গে সিজেপির প্রতিনিধিদের দেখা যাওয়ায় অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এই বৈঠকগুলো কি শুধুই রাজনৈতিক আলোচনা, নাকি এর পেছনে কোনো বৃহত্তর পরিকল্পনা রয়েছে? কূটনীতিকদের একাংশের মতে, চিনের সঙ্গে সীমান্তে উত্তেজনা এবং জাতীয় নিরাপত্তার সংবেদনশীল সময়ে এ ধরনের যোগাযোগ সন্দেহজনক।
তাঁরা দাবি করছেন, বাম দলগুলো ঐতিহাসিকভাবে কিছু আন্তর্জাতিক ইস্যুতে চিনের অবস্থানের প্রতি সহানুভূতিশীল বলে পরিচিত। সিজেপি, বিভিন্ন সামাজিক ও মানবাধিকার ইস্যুতে সক্রিয়, তার সঙ্গে এই সমন্বয় আরও বিতর্ক বাড়িয়েছে। একজন বিজেপি নেতা বলেন, “জাতীয় স্বার্থের প্রশ্নে এ ধরনের গোপন বৈঠক দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে। পুরো বিষয়টি খোলাখুলি তদন্ত হওয়া উচিত।”
অন্যদিকে বাম নেতারা এখনও সরাসরি এই অভিযোগের জবাব দেননি। তাঁদের সমর্থকরা বলছেন, বিরোধী দল হিসেবে বিভিন্ন সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করা তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার। যন্তর মন্তরের ছবিগুলোকে সাধারণ রাজনৈতিক কর্মসূচি বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা চলছে। তবে সময়কাল সংসদ অধিবেশনের ঠিক আগে অনেকের কাছেই সন্দেহজনক লাগছে।
আরও দেখুনঃ সব পদ থেকে ইস্তফা! মমতার হাত ছাড়লেন মদন মিত্র
কূটনীতিকদের একাংশের মতে এই ঘটনা ভারতীয় রাজনীতিতে বিদেশ তাৎপর্যপূর্ণ । বিশেষ করে চিনের সঙ্গে চলতে থাকা ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মধ্যে এ ধরনের যোগাযোগ দেশের অভ্যন্তরীণ ঐক্যকে প্রশ্নের মুখে ফেলতে পারে। সিজেপির সঙ্গে বাম নেতাদের সম্পর্ক নিয়েও প্রশ্ন উঠছে।