ECI-TMC Split: ‘কালীঘাট’ বলছে, সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হচ্ছে! শুক্রবারই কমিশনে জবাব দেবে ঋতব্রতরা | Ritabrata Banerjee Led TMC to Submit Documents in ECI on 10th July, Mamata Banerjee Led TMC Claims ECI Giving them Advantages
ঋতব্রত পন্থী তৃণমূল কি নিজেদের আসল তৃণমূল প্রমাণ করবে?Image Credit: PTI
নয়া দিল্লি: অবশেষে হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC) ভাগ্য নির্ধারণ। আগামীকাল, ১০ জুলাই জাতীয় নির্বাচন কমিশনে সম্পূর্ণ নথি জমা দেবে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস (Ritabrata Banerjee Led TMC)। ইতিমধ্যেই গত ৬ জুলাই মমতা-পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস তাদের নথি জমা দিয়েছে। এবার নির্বাচন কমিশন এই নথিপত্র যাচাই করে এবং দুই পক্ষের বক্তব্য শুনেই সিদ্ধান্ত নেবে যে আসল তৃণমূল কে।
কমিশনের নির্দেশ-
নির্বাচন কমিশন তৃণমূল কংগ্রেসের দুই শিবিরকেই ৬ জুলাইয়ের সময়সীমা দিয়েছিল নিজেদের দাবির স্বপক্ষে নথি জমা দেওয়ার জন্য। গত সোমবারই জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মতো বিকেল সাড়ে পাঁচটার নির্দিষ্ট সময়সীমার অনেক আগেই কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে যাবতীয় নথি জমা দিয়েছে মমতাপন্থী তৃণমূল কংগ্রেস। এবার আগামিকাল, ১০ জুলাই ঋতব্রত-পন্থী তৃণমূলও নিজেদের আসল তৃণমূলের দাবি প্রমাণ করতে প্রয়োজনীয় নথি জমা দেবে।
সুবিধা পাচ্ছে ঋতব্রতরা?
কমিশন সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সই করা ১৪ পাতার নথির কপি পাঠানো হয়েছে ঋতব্রতপন্থী তৃণমূলকে। এই নিয়ে মমতা পন্থী তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের বাড়তি সুবিধা দিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। তাদের জমা দেওয়া নথির কপি অপরপক্ষকে দেওয়ার পরও, নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বিক্ষুব্ধদের নথি জমা পড়েনি। বরং মমতা পন্থী তৃণমূলের নথি হাতে পেয়ে নিজেদের উত্তর সাজানোর বাড়তি সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন তারা।
কী যুক্তি দিয়েছে মমতা-পন্থী তৃণমূল?
মমতা পন্থী তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের স্বপক্ষে যুক্তি দিয়েছে যে তৃণমূল কংগ্রেস গঠনের পর প্রথমে তিন বছর এবং পরে চার বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন হওয়ার নিয়ম ছিল। পরে ২০০৬ সালে দলের সংবিধান সংশোধন করে পাঁচ বছর অন্তর সাংগঠনিক নির্বাচন করার নিয়ম করা হয়। ২০২২ সালে সাংগঠনিক শেষ নির্বাচন হয়েছে। সেই হিসাবে কমিটির মেয়াদ ২০২৭ সাল পর্যন্ত। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়েরা তিন বছর মেয়াদের কথা বলছেন। তা আইনত ভুল।
কীভাবে একটা ব্লক জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক ডাকতে পারে, সেই প্রশ্নও তুলেছে মমতা পন্থী তৃণমূল।