ডিমের কুসুম তো খেয়েছেন, কুসুমের তেল ট্রাই করেছেন? জানেন কী কী উপকার? | egg oil benefits for skin and hair care tips - 24 Ghanta Bangla News
Home

ডিমের কুসুম তো খেয়েছেন, কুসুমের তেল ট্রাই করেছেন? জানেন কী কী উপকার? | egg oil benefits for skin and hair care tips

Spread the love

ছোটবেলা থেকেই ডিমের গুণের কথা আমরা বহুবার শুনেছি। ওমলেট, ভাপা থেকে শুরু করে ডিমের নানা স্বাদু পদ তৃপ্তি করে খেয়েছেন অনেকেই। কিন্তু ‘এগ অয়েল’ (Egg oil) বা ডিমের কুসুম থেকে তৈরি তেলের কথা কি জানা আছে? অনেকের কাছেই এই নামটা একেবারে নতুন ঠেকতে পারে, তবে এর ইতিহাস বেশ পুরোনো। প্রাচীন গ্রিক পুরাণেও নাকি এই তেলের উল্লেখ পাওয়া যায়। বর্তমানে অবশ্য উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে ডিমের কুসুমের নির্যাস থেকে এই বিশেষ তেল তৈরি করা হয়। পরিমাণের দিক থেকে এই তেল বেশ মূল্যবান, কারণ মাত্র ১৫০ গ্রাম (৫ আউন্স) তেল তৈরি করতে প্রায় ৫০টি ডিমের কুসুমের প্রয়োজন হয়। ডিমের মতোই এর গুণাগুণও কিন্তু চমৎকার।

১) ত্বকের রুক্ষতা দূর করে
ডিমের কুসুমের নির্যাস থেকে তৈরি হওয়ায় এই তেলে ভরপুর মাত্রায় থাকে স্বাস্থ্যকর ফ্যাট এবং অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট। এই উপাদানগুলো বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগের হাত থেকে ত্বককে রক্ষা করে। শীত কিংবা গরমে—ত্বকের অতিরিক্ত শুষ্কতা দূর করে এক স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ও মসৃণ ভাব ফিরিয়ে আনে এই তেল।

২) ব্রণ ও দাগছোপের ছুটি
এগ অয়েলে রয়েছে অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল উপাদান। ফলে নিয়মিত ব্যবহারে ত্বকের জেদি দাগছোপ হালকা হতে শুরু করে। যাঁরা দীর্ঘদিন ধরে ব্রণর সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের জন্য এই তেল বেশ কার্যকরী হতে পারে।

৩) চুলের যত্নে অব্যর্থ
ত্বকের পাশাপাশি চুলের হরেক সমস্যায় এই তেল দারুণ কাজ দেয়। প্রথমে চুলের গোড়ায় ও স্ক্যাল্পে এই তেল ভালো করে মালিশ (ম্যাসাজ) করে নিন। এরপর গরম জলে একটি তোয়ালে ভিজিয়ে তা দিয়ে মাথা কিছুক্ষণ জড়িয়ে রাখুন। এই পদ্ধতিতে পরিচর্যা করলে খুশকির সমস্যা যেমন দূর হয়, তেমনই চুল পড়াও কমে। এমনকি নতুন চুল গজাতেও সাহায্য করে এই তেল।

৪) রক্ত সঞ্চালন বাড়ায়
শরীরে বা মুখে এই তেল মালিশ করলে রক্ত সঞ্চালনের গতি ভালো হয়। আর রক্ত চলাচল ঠিকঠাক হলে ত্বকের ভেতরের জেল্লা বা গ্লো ডাবল হয়ে যায়।

৫) তারুণ্য ধরে রাখতে
বয়সের ছাপ রুখে দিয়ে যৌবন ধরে রাখতে ডিমের কুসুমের তেল এক দারুণ দাওয়াই। এর মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘B3’, ‘A’ এবং ‘E’। ফলে নিয়মিত এই তেল মালিশ করলে ত্বক ঝুলে পড়ে না, বরং কোষগুলো নতুন প্রাণ ফিরে পায়।

সবচেয়ে বড় সুবিধা: অনেকেরই মুরগির ডিম খেলে গায়ে অ্যালার্জি বা র‍্যাশ বের হয়। তবে নিশ্চিন্তে থাকুন, এই তেল ব্যবহারে সেই ভয় নেই। প্রক্রিয়াকরণের সময় এর অ্যালার্জি সৃষ্টিকারী উপাদানগুলো নষ্ট হয়ে যায়, ফলে অ্যালার্জির সমস্যা থাকলেও এই তেল অনায়াসে ব্যবহার করা যায়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *