বন্ধ রুটে বাস পরিষেবা চালু করলেন বিধায়ক
এক ট্রেকারচালক সঞ্জয় দাস বলেন, ‘আমাদের কোনও সমস্যা নেই। বাস চলতেই পারে। বাস রুটে বাস চলবে, তাতে আর বলার কী আছে!যাত্রীরাও স্বাচ্ছন্দ পাবেন। যেখানে তাঁদের সুবিধে, সেখানেই তাঁরা উঠবেন।’ তুফান হেমব্রম, বাবলু মোল্লা, শৈল বিশ্বাসদেরও একই মত— ট্রেকারও চলুক, বাসও চলুক। যাত্রীদের সুবিধেই হবে। নিত্যযাত্রীরাও বেশ খুশি এই খবরে। নিত্যযাত্রীদের মধ্যে সায়ন দাস প্রায়শই তারকেশ্বর, চাঁপাডাঙা–সহ এই এলাকায় যাতায়াত করেন।সায়ন বলেন, ‘খুবই সুবিধে হলো। কারণ, বাসের ভাড়া আর ট্রেকারের ভাড়ার অনেকটাই তফাৎ। ছাত্রছাত্রীদের ক্ষেত্রে এটা খুবই ভালো হলো। তারা কনসেশন পাবে। বাসে উঠেই যেখানে দিতে হয় পাঁচ টাকা, সেখানে ট্রেকারে দিতে তার ডাবল ভাড়া। তাই বাস পরিষেবা চালু হলে বহু মানুষই উপকৃত হবেন। পাশাপাশি, ট্রেকার যেমন চলছে, চলুক।’ এখন ২৬টির মতো ট্রেকার চলছে। ৭ জুলাই থেকে পাঁচটি বাসও চলবে। সায়নের বক্তব্য, ‘আসলে খানাকুলের এই এলাকা সব দিক থেকেই পিছিয়ে, যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন। তাই ট্রেকার চলছিল। মানুষকে সেই ভাবেই যাতায়াত করতে হচ্ছিল। উপায় ছিল না, তাই বেশি ভাড়া গুনেই যেতে হতো আমাদের। এখানকার বিধায়ক বিমান ঘোষ বলেন, ‘আমরা লক্ষ করেছিলাম, তৃণমূল এই বাস পরিষেবা বন্ধ করে দিয়েছিল।তাদের নিশ্চয়ই কোনও স্বার্থ ছিল। যাই হোক, মানুষের সুবিধার্থে এই রুটে বাস পরিষেবা চালু করা হচ্ছে।