Recruitment Scam in Bengal: ‘সায়নীর পিছনে অনেক টাকা খরচ করত’, নিয়োগ দুর্নীতির বড় পর্দাফাঁস এই ‘মিডলম্যানের’ | He used to spend a lot of money on Sayoni, Tapas makes a major revelation regarding the recruitment scam
কলকাতা: প্রাথমিকে নিয়োগ দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সব জানতেন মমতা। জেনেও চুপ করেছিলেন। এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ ‘মিডলম্যান’ তাপস মণ্ডলের। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আগেই একাধিকবার ইডি ও সিআইডি-র জেরার মুখে পড়েছিলেন তাপস। রাজ্যে পালাবদল হতেই অভিষেকের বিরুদ্ধে একেবারে খড়গহস্ত সেই তাপস। তাঁর দাবি, কুন্তল ঘোষের হাত ধরে কালীঘাটের কাকুর মাধ্যমে টাকা পৌঁছে যেত অভিষেকের কাছে। টাকা না পৌঁছালে নাকি ভেরিফেকেশন আটকে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও আসতো।
তাঁর সাফ কথা, তাঁর মাধ্যমে ১৯ কোটি ৪৪ লক্ষ টাকা তাঁর মাধ্যমে গিয়েছিল কুন্তল ঘোষের কাছে। কয়েক ধাপে ২০১৬ থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত পুরোটাই দেওয়া হয়েছিল নগদে। তিনি বলছেন, আমি একটা ডায়েরি মেনটেন করতাম। তাতেই সব লেখা থাকতো। কুন্তলের থেকে টাকা শেষ পর্যন্ত কাকুর কাছে পৌঁছাতো। কাকু যেহেতু অভিষেকের লোক, ওর নাম করেই যেহেতু টাকা নেওয়া হচ্ছিল ফলে আমি কনফার্ম ছিলাম অভিষেকের কাছে টাকাগুলো যাচ্ছে।
এরপরই কুন্তল-অভিষেকের বিরুদ্ধে সুর আরও চড়িয়ে বলেন, “অভিষেকের নির্দেশ ছাড়া এত বড় প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি হচ্ছে এটা মেনে নেওয়া যায় না। উনিই দুর্নীতির মাথা। আমার ধারণা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবই জানতেন। উনি জানতেন না এটা হতে পারে নাকি!” এরপরই একেবারে সায়নী ঘোষের প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “অভিষেককে গ্রেফতার করা দরকার। গোটা রাজ্য়ে এরকম হাজার কুন্তল পাওয়া যাবে যাঁরা অভিষেকের নামে টাকা তুলেছে। সায়নীর পিছনে অনেক খরচ করতো কুণাল। কারণ ও তো যুব সম্পাদক, আর সায়নী যুব সভানেত্রী। ওকে তো ফ্ল্যাট, গাড়ি দিয়েছে।”
সুর চড়িয়েছেন বিজেপি বিধায়ক সজল ঘোষ। তিনি বলছেন, “অভিষেককে ধরার জন্য এসবের আর প্রয়োজন নেই। বাংলার মানুষ জানে ও একটা চাকরি চোর, গরু চোর, কয়লা চোর, বালি চোর। ওকে টেনে নিয়ে ঢুকিয়ে দিলেই হবে। কিন্তু মাছ ধরার আগে একটু খেলিয়ে ধরলে যে ধরে তার একটু মজা লাগে। সেই খেলাটাই চলছে এখন।”