Mahua Moitra: একটার পর একটা ধেয়ে আসছে… বিধ্বস্ত হয়ে কোনও রকমে নিজেকে বাঁচাতে ফেসবুক লাইভে এলেন মহুয়া মৈত্র | Mahua Moitra Alleges Attack During Kaliganj Meeting, Shares Video on Facebook Live
অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের থেকে ট্রেন্ডটা শুরু হয়েছিল। সোনারপুরে মৃত কর্মীর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে নিগৃহীত হতে হয়েছিল তাঁকে। জনরোষ আছড়ে পড়েছিল তাঁর ওপর। প্রচুর ডিম ছোড়া হয়েছিল বিক্ষুব্ধ জনতার মাঝ থেকে। ভোট পরবর্তী নতুন বাংলায় এটাই ‘ডিম থেরাপি’র প্রথম এপিসোড। পরবর্তীতে তা সংক্রমণের চেহারা নেয়। তৃণমূলের একেবারে ছোট, মেজো-বড় মাপের নেতাদের লক্ষ্য করে ডিম ছুড়তে দেখা গিয়েছে জনতাকে। এর আগে ডিম থেরাপির স্বীকার হন বর্ষীয়ান সাংসদ সৌগত রায়ও।
এই ডিম থেরাপি নিয়েই মহুয়া সরব হয়েছিলেন। বলেছিলেন, “বোরখা পরে ডিম ছোড়ো, তাহলে কেউ চিনতে পারবে না।” তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হবে ৷ থানা অভিযোগ না আদালত এমনকী সুপ্রিম কোর্টেও যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন ৷ আর মহুয়ার এই মন্তব্য ঘিরে তুমুল দানা বাঁধে বিতর্ক। অভিযোগ ওঠে, মহুয়া বিশেষ এক সম্প্রদায়ের মহিলাদের অপমান করছেন। নদিয়ার হোগলাবেড়িয়া থানায় তাঁর বিরুদ্ধে এফআইআরও দায়ের হয়। কিন্তু এদিন কালীগঞ্জে যে দৃশ্য দেখা গেল, তিনি ঘরের মধ্যে বৈঠক করছেন, জানতে পেরেই বাইরে জড়ো হয় জনতা। একেবারে রাস্তা থেকে ওই ঘরের জানালা টিপ্ করে ডিম ছুড়তে থাকেন বিক্ষোভকারীরা। আর সে মুহূর্তে জানালার আড়ালে থেকে সেটি মোবাইলবন্দি করতে দেখা যায় মহুয়াকেও।
প্রসঙ্গত, এই ডিম থেরাপি নিয়ে ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয়েছে। মঙ্গলবারই বিচারপতি তপোব্রত চক্রবর্তী ও বিচারপতি পার্থসারথী চট্টোপাধ্যায়ের ডিভিশন বেঞ্চে এই মামলার শুনানি ছিল। বিচারপতি রাজ্যকে নির্দেশ দেন, “সামাজিক সচেতনতা তৈরি করতে হবে। কী পদক্ষেপ নিয়েছেন?” এই মামলায় এবার রাজ্যকে গাইডলাইন তৈরি করার নির্দেশ ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির। হলফনামা দিয়ে রাজ্য জানাবে কত ঘটনা এরকম ঘটেছে, কী পদক্ষেপ করা হয়েছে। কিন্তু তারপরদিনই মহুয়ার সঙ্গে ঘটা এই ধরনের ঘটনায় পুলিশ কী পদক্ষেপ করে, সেটাই দেখার।