Calcutta High Court on Abhishek: ‘কণ্ঠস্বরের নমুনা সংগ্রহের কী প্রয়োজনীয়তা আছে?’, অভিষেকের প্রশ্ন শুনেই বিচারপতি ঘোষ বললেন… | Calcutta High Court refused to intervene in the case concerning Abhishek Banerjee’s voice recording test
অভিষেকের বিদেশযাত্রা নিয়ে দ্রুত শুনানির আবেদন খারিজ করল হাইকোর্টImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) ধাক্কা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee)। কণ্ঠস্বরের নমুনা দেওয়ার পক্ষেই সওয়াল হাইকোর্টের। নমুনা পরীক্ষায় কোনও স্থগিতাদেশ দিল না আদালত। এরপরই মামলা ছাড়েন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ । যেহেতু এই সংক্রান্ত অন্য মামলা চলছে অন্য বিচারপতির এজলাসে, তাই মামলা কে শুনবেন ঠিক করবেন ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।
অভিষেক কী বলেছিলেন?
ছাব্বিশে ভোটের প্রচারে গিয়ে ডিজে বাজানোর হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন অভিষেক। তিনি বলেছিলেন, “চার তারিখ বারটার পরে কোন জল্লাদের কত ক্ষমতা। কার দিল্লির বাবা তাঁকে বাঁচাতে আসে আমি দেখব। আর চার তারিখ… মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই উদার হন স্টিয়ারিং আমার হাতে থাকবে। DJ তো বাজবেই, আর এমন জোরে বাজবে কান ঝালাপালা করে দেব।”
এই নিয়ে মামলা হয়। তদন্তে নেমে আধিকারিকরা তাঁর কণ্ঠের নমুনা পরীক্ষা করাতে চান। ওই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হন তৃণমূল সাংসদ। এরপর বিচারপতি কৌশিক চন্দ মামলা দায়ের করার অনুমতি দেন। কিন্তু শুনানি হয়নি। মামলাটি পরে ওঠে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে। মঙ্গলবার ছিল সেই মামলার শুনানি। আজই আবার কণ্ঠস্বর নমুনা পরীক্ষারও দিন। তবে, অভিষেক আদালতের নির্দেশের আগে গলার পরীক্ষা দেবেন না বলে জানিয়েছিলেন।
এরপর মঙ্গলবার বিকেলে হাইকোর্টে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আইনজীবী সব্যসাচী বন্দ্যোপাধ্যায় ও অয়ন ভট্টাচার্য সওয়াল করেন, “ভয়েস স্যাম্পেলের কি প্রয়োজনীয়তা আছে? যেখানে এই তদন্ত একটি ভিডিয়ো উপরেই নির্ভর করছে। এটি একটি রাজনৈতিক ভাষণ। মামলাকারী নিজেই তাঁর স্যোশাল মিডিয়ায় আপলোড করে জানিয়েছে এটি কার বক্তব্য। তাহলে কণ্ঠস্বরের নমুনা আবার পরীক্ষার কী প্রয়োজনীতা আছে?”
সেই সওয়াল শুনে বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের প্রশ্ন, যদি এর পরেও তদন্তকারী আধিকারিক মনে করেন ভয়েস স্যাম্পেল দরকার, তাহলে আদালত কি না বলতে পারে? বিচারপতি এও জানতে চান, “তদন্ত কীভাবে করা হবে, কী কী দরকার সেটা কি আদালত ঠিক করতে পারে? বিচারপতির জানতে চান, “মামলাকারী কি প্রশ্ন করতে পারেন স্যাম্পেলের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে। তদন্ত যতক্ষণ চলছে, ততক্ষণ আদালত হস্তক্ষেপ করতে পারে না।
বিচারপতির মন্তব্যের পর রাজ্যের আইনজীবী কল্লোল মণ্ডল, রাজদীপ মজুমদার জানান, তদন্তে সহযোগিতা করছেন না মামলাকারী। তবে, এই মামলায় বিচারপতি আর হস্তক্ষেপ করতে চাননি। এরপরই মামলা ছাড়েন বিচারপতি ঘোষ। আলাদা করে আর কোনও রক্ষা কবচ দেওয়া হয়নি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।