বইমেলা রাজনৈতিক একাধিপত্যের জায়গা নয়, বার্তা শমীকের
এ দিন মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন গবেষক ও আরএসএস নেতা জিষ্ণু বসু, সাহিত্যিক ও কবি বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়, বিজেপি নেতা ও এই অনুষ্ঠানের অন্যতম আয়োজক দেবজিৎ সরকার, বুদ্ধদেব–কন্যা মালিনী গুহ, বিজেপি নেতা সপ্তর্ষি চৌধুরী। ১৯৭৬ থেকে কলকাতা আন্তর্জাতিক বই মেলার আয়োজন করে আসছে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুক সেলার্স গিল্ড। রাজ্যে পালাবদলের পরে অনেকে দাবি করছেন, কখনও স্টল না পাওয়া, কখনও বিশেষ বিশেষ কোনও প্রকাশনা সংস্থাকে ভালো ও বড় জায়গা দেওয়া, কখনও লিটারেরি ফেস্টিভ্যালগুলিতে মুখ দেখে কবি–সাহিত্যিকদের ডাকার মতো ঘটনা ঘটিয়েছে গিল্ড। তাই কলকাতা বইমেলার আয়োজনটি আরও বিস্তৃত করার দাবিও তুলছেন তাঁরা। তবে এ দিন মঞ্চ থেকে শমীক বলেন, ‘কোনও সংগঠন চালাতে গেলে ক্ষোভ থাকে, বিচ্যুতি থাকে। তা অনভিপ্রেত ও অকাঙ্খিত হতে পারে, কিন্তু অবাস্তব নয়। যে কোনও সংগঠন করতে গেলেই এই বিচ্যুতি ও ক্ষোভ তৈরি হয়।’ শমীক জানান, তিনি দল ও সরকারের মধ্যে বিভাজন রেখা টানার পক্ষপাতী, তাই এই অনুষ্ঠানে যদি সরকারি মহলের কেউ উপস্থিত থাকতেন তাহলে ভালো হতো। প্রকাশক–সাহিত্যিকদের ক্ষোভ যদি কিছু থেকে থাকে তাহলে সরকারি কর্তারাই এ ব্যাপারে পদক্ষেপ করতে পারতেন। কিন্তু তিনি দলীয় কোনও হস্তক্ষেপ চান না।